January 15, 2026, 6:00 pm
Title :
ক্রিকেটাররা আজ মাঠে না ফিরলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বিপিএল গণভোটের প্রচারণায় জেলায় জেলায় যাচ্ছেন উপদেষ্টারা শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করব, এই জোট যেনো অটুট থাকে: নাহিদ ইসলাম নতুন দলে মাহফুজ আলমের যোগদানের খবর ফেসবুকে, যা জানা যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন পাচ্ছে ৫০ আসন, রাতে চূড়ান্ত ঘোষণা জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষায় দায়মুক্তি অধ্যাদেশ অনুমোদন সব দায়িত্ব থেকে পরিচালক নাজমুলকে অব্যাহতি দিচ্ছে বিসিবি ‘গুলি এবার ফস্কাবে না’, ট্রাম্পকে খুনের হুমকি পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা চলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ৮০ হাজার কোটি ডলার চায় ইউক্রেন, হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী বললেন—‘টাকা গাছে ধরে না’

বাংলাদেশ ব্যাংকের যে পদক্ষেপে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব

Reporter Name
  • Update Time : Monday, September 15, 2025
  • 84 Time View

বাংলাদেশ ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ এক পদক্ষেপে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। তা হলো- দাম ধরে রাখতে বাজার থেকে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত দেড় মাসে কেনা হয়েছে প্রায় ১১৩ কোটি ডলার। রপ্তানি এবং রেমিট্যান্সের স্বাথেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানিয়েছন, দামের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। অতিরিক্ত যোগান কমিয়ে আনার মাধ্যমে বাজার স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে।

এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন ব্যাংকাররাও। ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের দাম কমে গেলে বিকল্প পথে রেমিট্যান্স চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

অস্থিরতা কাটিয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরে স্থিতিশীল রয়েছে ডলার বাজার। লেনদেনে হচ্ছে ১২১ থেকে ১২২ টাকার মধ্যে। আইএমএফ’র চাপে গেল মাসে বাজার ভিত্তিক করা হয় দাম। আশঙ্কা থাকলেও বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হয়নি দামে। উল্টো যোগান বৃদ্ধিতে কিছুটা কমতে থাকে দাম। জুলাইয়ে মাঝামাঝিতে তা নেমে আসে ১২০ টাকারও নিচে।

মূলত রপ্তানি এবং রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবৃদ্ধিতে বাজারে সরবরাহ বাড়ে ডলারের। এর সঙ্গে যোগ হয় বৈদেশিক ঋণ। বাড়ে রিজার্ভের পরিমাণও। যার প্রভাব পড়ে বিনিময় মূল্যে। দাম স্বাভাবিক রাখতে বাজার থেকে ডলার কিনতে শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১৩ জুলাই কেনা হয় ১৭ কোটি ডলার। ১৩.২ কোটি ডলার কেনা হয়েছে ৪ সেপ্টেম্বর। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত কেনা হয়েছে প্রায় ১১৩ কোটি ডলার।

রপ্তানি এবং রেমিট্যান্স মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে দেশে আসে সাড়ে ১৩ বিলিয়ন ডলারের ওপের। এ সময়ে আমদানি এবং ঋণ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে সাড়ে ১০ বিলিয়ন কিছু বেশি। ফলে বড় একটি অংশ উদ্বৃত্ত থেকে যায়। বাড়তি ডলার টেন্ডারের মাধ্যমে কিনে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, এটা কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ না। সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংকে ডলারের পরিমাণ বেড়ে গেলে তারাও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত ডলার বিক্রি করতে চায়। যেন ডলারের দাম স্থিতিশীল থাকে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন ব্যাংকাররাও। বলছেন, এর ফলে ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে। তা না হলে রেমিট্যান্স সংগ্রহে অনাগ্রহ দেখা দিতে পারে বলেও মনে করেন তারা।

উল্লেখ্য, গেল অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। যা আগের বছরের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেশি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com