দেশে বিরাজমান পাহাড়সম ঝঞ্জালের সমাধান করতে বিএনপিকেই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় এই দলটি প্রচুর অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, দেশের মানুষ ধানের শীষকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।
দেশে বিরাজমান পাহাড়সম ঝঞ্জালের সমাধান করতে বিএনপিকেই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় এই দলটি প্রচুর অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, দেশের মানুষ ধানের শীষকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।
তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে। ধানের শীষের দল ছাড়া অতীতে কেউ জনগণের স্বার্থরক্ষায় কাজ করেনি। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে- দেশের অর্থনীতি, আইন-শৃঙ্খলা, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়। দেশের মানুষ সুখ স্বাচ্ছন্দ্যে, নিরাপদে থাকে।
তিনি বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দাউদকান্দি উপজেলার জিংলাতলী এবং গৌরীপুরে গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন।
ড. মোশাররফ বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের লুটপাট, দুর্নীতি-দুঃশাসনে গোটা দেশ ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। এই ধ্বংসযজ্ঞ অবস্থা থেকে দেশকে টেনে তুলতে হলে যোগ্য ও সৎ নেতৃত্ব প্রয়োজন। জনগণের ভোটে ক্ষমতায় গেলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার বিশ্ব দরবারে দ্রুত মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
তিনি বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল ও নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য একটি শক্তি কলকাঠি নাড়ছে, গভীর ষড়যন্ত্র করছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সুষ্ঠু ভোটে দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হলে সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়ে যাবে।
পথসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। তিনি বলেন, সারা দেশে এখন ধানের শীষের গণজোয়ার।
জিংলাতলীতে স্থানীয় বিএনপি নেতা আলাউদ্দিন সরকার এবং গৌরীপুরে আক্তারুজ্জামান খোকন সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব আবুল হাশেম, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জসিমউদ্দিন আহমেদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন, শাহ আলম সরকার, মোশাররফ হোসেন হাজারী, আসিফ কবির, আবদুল বাসেদ প্রমুখ।
এদিকে সকাল থেকে ড. খন্দকার মারুফ হোসেন ধানের শীষের পক্ষে জিংলাতলী ও গৌরীপুর ইউনিয়নের ইটাখোলা, রায়পুর, বানিয়াপাড়া, ছান্দ্রা, খোশকান্দি, চর চারিপাড়া, চর রায়পুর, গলিয়ার চর, চান্দের চর, লক্ষ্মীপুর, গৌরীপুর স্পটে গণসংযোগ করেন এবং পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।