দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন আবার অস্থির হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের আগে চার দফা দাবিতে কয়েকটি দলের যুগপৎ আন্দোলনের ঘোষণা ও রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কায় উৎকণ্ঠায় রয়েছেন ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা। নতুন বিনিয়োগে খরা এবং
স্বর্ণ নিজেই যেন হয়ে উঠছে সোনার হরিণ। দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির দৌড়ে এরই মধ্যে চলে গেছে অনেকের নাগালের বাইরে। তবে অলংকার হিসেবে বিক্রি কমলেও ব্যক্তি পর্যায়ে বিনিয়োগের জন্য স্বর্ণের গুরুত্ব বেড়েছে। ব্যাংক
ডলারের দরপতন ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রেখেছে। সোমবার কিনেছে ৩৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার। বাজারের চেয়ে বেশি দামে এসব ডলার কেনা হয়েছে। এদিন আন্তঃব্যাংকে ডলারের গড়
যতো দিন যাচ্ছে দেশের পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে—বিনিয়োগ কমছে, অস্থিরতা বেড়েই চলছে, মেধাশীল তরুণরা বিদেশে পাড়ি জমানোর জন্য উদগ্র। শাসন-সংস্থাগুলোতে দায়িত্বে থাকা অন্তবর্তী সরকারের কর্মকর্তারা কর্তব্য পালন না করে
চলতি সেপ্টেম্বরের ১৩ দিনে ১৩০ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। প্রতি ডলার ১২২ টাকা দরে যার পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। ১৫ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বাংলাদেশ ব্যাংকের
বাংলাদেশে বর্তমানে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ৫৫০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। আগামীতে সংস্থাটি বাংলাদেশে সহযোগিতা আরও বাড়াতে চায়। ভবিষ্যতের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.
বিগত সরকারের সময় পাচার করা অর্থ সরকার অনুসন্ধানের চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর এসেছে বিগত লুটেরা দেশ থেকে প্রতিবছর ১৯ লাখ কোটি
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাংক ও আর্থিক খাতে দীর্ঘমেয়াদি অনিয়ম ও লুটপাটের ফল এখন সাধারণ গ্রাহকদের ভোগান্তি হিসেবে দেখা যাচ্ছে। রাজধানীর মতিঝিল, হাটখোলা, বনানী ও মিরপুরের বিভিন্ন ব্যাংক শাখায় গ্রাহকদের
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার অর্থপাচার হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশ অর্থপাচার হয়েছে আমদানি-রপ্তানির আড়ালে, যা