ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলছেন, জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না। ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। ভোটের দিন কেন্দ্র পাহারা দিয়ে চূড়ান্ত ফলাফল নিয়ে ঘরে ফেরার জন্য তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পীর জঙ্গী মাজার সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বক্তব্যের শুরুতেই মির্জা আব্বাস তারেক রহমানের প্রচারণার প্রশংসা করে বলেন, সারাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই লড়াইয়ে চেয়ারম্যানকে অমানুষিক পরিশ্রম করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে এই স্থান থেকেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার নির্বাচনি যাত্রা শুরু করেছিলেন।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করে বলেন, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে উন্মুখ হয়ে থাকলেও কিছু মহল ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আসনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা ফল পাল্টে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী সরকারি বা বেসরকারি যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
মির্জা আব্বাস বলেন, এই এলাকায় গ্যাস ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট এবং জলাবদ্ধতা জনগণের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এছাড়া মাঠ ও পার্কের অভাবে শিশু-কিশোরদের শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গড়ে তোলা মাঠ ও কমিউনিটি সেন্টারগুলো ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। এমনকি কবরস্থানের জায়গা দখল করে সরকারি স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আধুনিক ও উদ্ভাবনী কর্মপরিকল্পনার (ইনোভেটিভ আইডিয়া) মাধ্যমে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া স্কুলগামী শিশু ও নারীদের নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
প্রতিকূল পরিবেশেও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নিরপেক্ষ ভোট হলে ঢাকা-৮ সহ দেশের অধিকাংশ আসনেই ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত।