April 1, 2026, 5:54 am

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ পাসের দাবি

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, April 1, 2026
  • 18 Time View

আইনে পরিণত করতে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ পাস করার দাবি জানিয়েছে ‘ইয়াং জাজেস ফর জুডিশিয়াল রিফর্ম’। বিচারকদের এই সংগঠন জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশটি পাসের দাবি জানায়।

গতকাল মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে সংগঠনটি রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকারসহ জুলাই জাতীয় সনদের ঐকমত্য অনুযায়ী বিচার বিভাগের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনের অনুরোধ জানিয়েছে।

বিবৃতির শেষ ভাগে ইয়াং জাজেস ফর জুডিশিয়াল রিফর্ম বলেছে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার, আইনের শাসনের মূল ভিত্তি। জনগণের রায়ে দেশ পরিচালনার এ সুযোগে সরকার বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে জারি করা ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ সংসদে পাস করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে, এটাই তাদের দৃঢ় প্রত্যাশা।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের ৩০ নভেম্বর ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে, যা আপিল বিভাগের ঐতিহাসিক মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে এবং সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রণীত হয়েছে। ১৯৯৯ সালের সেই যুগান্তকারী রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে কার্যকরভাবে পৃথক করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ২০০৭ সালে আংশিক পৃথককরণ হলেও অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ কার্যত নির্বাহী বিভাগের হাতেই থেকে যায়। জারি করা অধ্যাদেশ সেই অসম্পূর্ণ যাত্রাকে পূর্ণতা দেওয়ার সূচনা করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্রসংস্কারে সরকারি দল বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফার ৯ নম্বর দফায় স্পষ্টভাবে অঙ্গীকার করা হয়েছে, মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে বিচার বিভাগের কার্যকর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধানের কর্তৃত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত করা হবে। বিচার বিভাগের জন্য সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণাধীন পৃথক সচিবালয় থাকবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের সাংবিধানিক সংস্কার অংশের ২০ নম্বর দফায় অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত করতে সংবিধান সংশোধনের অঙ্গীকার রয়েছে। এ ছাড়া স্বাধীন বিচার বিভাগ অংশে পৃথক সচিবালয়কে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। জুলাই জাতীয় সনদে দেশের সব প্রধান রাজনৈতিক দল স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে একমত হয়েছে। এ জাতীয় ঐকমত্যকে সম্মান জানানোই নির্বাচিত সরকারের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করে ইয়াং জাজেস ফর জুডিশিয়াল রিফর্ম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com