অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. হামিদুল আলম ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। হামিদুল আলম চাকরিকালে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। তাঁর অপরাধলব্ধ অর্থ স্ত্রীর নামে রেখেছেন। তাদের বিরুদ্ধে ৬১ কোটি ১৮ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
সোমবার দুদকের বগুড়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে বগুড়া কার্যালয়ে আলাদাভাবে মামলা দুটি দায়ের করেন। আজ এক ব্রিফিংয়ে দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এজাহারে বলা হয়, হামিদুল আলম চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কাউন্টার টেররিজম ইউনিটে উপকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে তিনি রংপুর রেঞ্জে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগে এই সময়ে তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
এজাহারে হামিদুল আলমের বিরুদ্ধে ৩৫ কোটি ১৭ লাখ ৮৭ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় তিনিসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
অন্য তিন আসামি হলেন– বগুড়ার সারিয়াকান্দির মোছা. আজিজা সুলতানা, মোছা. আরেফা সালমা ও কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীর মোছা. শিরিন শবনম।
স্ত্রী শাহজাদী আলমের বিরুদ্ধে মামলা
এই মামলার এজাহারে বলা হয়, হামিদুল আলম দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ তাঁর স্ত্রী শাহাজাদী আলমের নামে রেখেছেন। এই কারণে এই মামলায় স্ত্রী শাহজাদী আলম ও তাঁর স্বামী হামিদুল আলমকে আসামি করা হয়েছে। শাহজাদী আলমের নামে ২৬ কোটি ১ লাখ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানকালে দুদক ওই সম্পদের বৈধ উৎস খুঁজে পায়নি।