January 15, 2026, 11:47 pm
Title :
এমপিওভুক্তি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারবে কিনা- সন্দেহ দেবপ্রিয়র সৌদি–পাকিস্তান নিরাপত্তা জোট, নতুন শক্তি, নতুন ঝুঁকি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ইয়াছিন, পেলেন সমন্বয়কের দায়িত্ব ১০৬ কোটি টাকার ঋণখেলাপি অভিযোগে বিএনপি প্রার্থীর বিষয়ে আপিল গ্রহণের নির্দেশ হাইকোর্টের আমরা প্রচণ্ডভাবে বিশ্বকাপ খেলতে চাই, সেটা শ্রীলঙ্কাতে: ক্রীড়া উপদেষ্টা মার্চ টু যমুনার হুঁশিয়ারি সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বিপিএল এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

মেহজাবীনের বিরুদ্ধে মামলা করা কে এই আমিরুল?

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, November 18, 2025
  • 106 Time View

পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার প্রলোভন দেখিয়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদানের অভিযোগে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে আমিরুল ইসলাম হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তবে স্থানীয়রা তাকে চেনেন না এবং মেহজাবীনও তার সঙ্গে কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি।

মামলায় বলা হয়েছে, গত পরশু ঢাকার একটি আদালত মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। যদিও পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

বাদী আমিরুল ইসলাম সম্পর্কে জানা গেছে, তার বাবার নাম মৃত সাদেক আলী। বর্তমানে তিনি ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদির নামাপাড়ায় থাকেন এবং তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরের ফতেহপুরে। তবে মামলার কাগজপত্রে যে নম্বরটি ব্যবহার করা হয়েছে, তা প্রকৃত নয়। সাধারণ মোবাইল নম্বর ১১ ডিজিটের হয়, কিন্তু আমিরুল যে নম্বর দিয়েছেন তা ১২ ডিজিটের, ফলে ফোনে যোগাযোগও সম্ভব হচ্ছে না।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী দীর্ঘদিন ধরে মেহজাবীনের সঙ্গে পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। এর বিনিময়ে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় মোট ২৭ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসা শুরু না করায় টাকা ফেরত চাইলে বারবার ‘আজকে দেব, কালকে দেব’ বলে সময়ক্ষেপণ করা হয়।

মামলার অভিযোগে আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘ফেসবুকের মাধ্যমে মেহজাবীনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। তিন-চার বছর ধরে আমাদের মধ্যে কথাবার্তা চলছিল। ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের ভিত্তিতে আমি তাকে প্রায় ২৭ লাখ টাকা দেই। বুটিক ব্যবসা করার কথা বলে তিনি এই টাকা গ্রহণ করেন।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘কয়েক মাস মুনাফা দেওয়ার পর তারা টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেন। আমি বসুন্ধরার বাসার সামনে গেলে তার ভাই ও আরও কয়েকজন আমাকে থাপ্পড় মেরে একটি গাড়িতে তুলে নেয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর চোখ খোলার পর আমি নিজেকে হাতিরঝিলে পাই। সেখানে তারা আমাকে হুমকি দেয় যে, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি হওয়ায় টাকার জন্য বাসার সামনে গেলে আমাকে মেরে ফেলা হবে।’

এই ঘটনার পর আমিরুল ইসলাম মামলা করার প্রস্তুতি নেন।

এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা করেন। মামলাটিতে আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তারা হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। একই সঙ্গে গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com