December 1, 2025, 4:08 am
Title :
‘সমুদ্রে অবৈধ ও অতিরিক্ত মৎস্য আহরণে মাছের সংস্থান কমে যাচ্ছে’ দেশের ৩৩ শতাংশ মানুষ রোগাক্রান্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের একমাত্র সমাধান: পোপ লিও সশস্ত্র বাহিনীর বঞ্চিত সদস্যদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা বেলুচিস্তানে এফসি সদর দপ্তরে হামলা, পাল্টা হামলায় ৩ সন্ত্রাসী নিহত হঠাৎ পাল্টে গেলো বাংলালিংকের লোগো, সামাজিকমাধ্যমে চলছে আলোচনা কক্সবাজারে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা এবং কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার রেহানা-টিউলিপের রায় সোমবার খালেদা জিয়ার অসুস্থতার জন্য হাসিনা সরকার দায়ী: রাশেদ খান খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল, কিছুটা ভালোর দিকে: তথ্য উপদেষ্টা

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘন তদন্ত করতে পারবে কমিশন

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, November 11, 2025
  • 51 Time View

দেশের কোথাও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থা বা যে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য সন্দেহভাজন মনে হলে তা তদন্ত করার ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনমানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায়উপরের নির্দেশবলে অপরাধের দায়মুক্তি পাবেন না সরকারি কর্মকর্তাআইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য

কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই গোপনআয়নাঘর’ (আটককেন্দ্র) বা যে কোনো আটককেন্দ্র পরিদর্শন করতে পারবেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাএসব বিধান রেখেজাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর চূড়ান্ত গেজেট জারি করেছে সরকার

রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর রোববার রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ শাখা থেকেঅধ্যাদেশ জারি করা হয়এতে বলা হয়েছে, অধ্যাদেশটি বিদ্যমান ২০০৯ সালের আইন প্রতিস্থাপন করবেকমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ স্বাধীন সংস্থা হবেএটি সরকারের কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অধীন হবে না

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালীকার্যকর করার লক্ষ্যে গত ৩০ অক্টোবর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

সরকারি বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশে বা নির্দেশে করা হয়েছে এমন অজুহাতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় হতে রেহাই বা মুক্তি পাওয়া যাবে না। লিখিত অভিযোগ ছাড়াও গণমাধ্যমে প্রচারিত বা প্রকাশিত প্রতিবেদন বা যে কোনো মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কিত তথ্যের ভিত্তিতে কমিশন ঘটনা তদন্ত করতে পারবে।

কমিশনের অনুসন্ধান চলাকালে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীন কমিশন ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে কোনো আইনানুগ অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ বা নির্দেশ দিতে পারবে। আটক কেন্দ্র পরিদর্শন ও তদন্তের ক্ষমতার বিষয়ে বলা হয়েছে, কমিশনের তদন্ত কর্মকর্তার ‘কোড অব সিভিল প্রসিডিউর’-এর অধীন দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা থাকবে।

তদন্ত কর্মকর্তা কোনো রাষ্ট্রীয় বা সরকারি প্রতিষ্ঠান বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর যে কোনো পর্যায়ের কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন বা তথ্যপ্রমাণ তলব করতে পারবেন। তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা দিতে হবে। অন্য আইনে যাই থাক না কেন, কমিশন তার কার্যাবলি সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে যে কোনো সময় যে কোনো স্থান পরিদর্শন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ওই স্থান নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের পূর্বানুমতি বা অবহিত করার প্রয়োজন হবে না। কমিশন তদন্তের স্বার্থে সাধারণ জনগণ বা যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বা সম্পৃক্ততার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

অধ্যাদেশকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি

গতকাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই অধ্যাদেশকে ‘সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুস্মিতা পাইক ও মহাসচিব মোহাম্মদ তৌহিদ খান বিবৃতিতে উল্লেখ করেন এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে মানবাধিকার কমিশনের আরও শক্তিশালী ও কার্যকর ভূমিকা পালনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com