পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, আমি কোনো নির্দিষ্ট দলের মন্ত্রী নই। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন, কোনো দল বা ব্যক্তি নয়, সবার আগে বাংলাদেশের স্বার্থ দেখতে হবে। কাজেই যারা ভোট দিয়েছেন বা যারা দেননি সকলের জন্য আমি বা আমরা সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চাই। এই দেশটাকে সুন্দরভাবে সাজাতে চাই।
বুধবার (০৪ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর গণপূর্ত ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলের এসব কথা বলেন তিনি।
পঞ্চগড় জেলাধীন দেবীগঞ্জ উপজেলা কল্যাণ সমিতির এই আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবীগঞ্জ উপজেলা কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. আইনুল হক পিইঞ্জ।
পঞ্চগড়-২ আসন থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য বলেন, নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই আমরা স্লোগান দিয়েছি সবার আগে বাংলাদেশ। আমাদের রাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র নীতিতেও দেশের স্বার্থ এগিয়ে রাখছি। সরকার ক্ষমতায় বসার এখনো ১ মাস হয়নি, ইতোমধ্যে খালখনন থেকে ফ্যামিলিকার্ড; জনগণকে দেওয়া সব ধরণের প্রতিশ্রুতি আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে।
নিজের নির্বাচনী আসন নিয়ে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ভৌগলিকভাবে উত্তরাঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ দেবীগঞ্চ। এই অঞ্চলে ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেছি। অল্প সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে। এছাড়াও এখানকার ময়নামতির চরকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি জীবনে কোনো দিন মাদক গ্রহণ করিনি। কাজেই আগের দিন ভুলে যান। উত্তরাঞ্চলে কোনো মাদক কারবারি চলবে না। মাদককে সমূলে উৎপাটন করা হবে। যারাই মাদকের কেনাবেচা করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স।
দেবীগঞ্জ উপজেলা কল্যাণ সমিতির সাংগঠনিক দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। ঢাকা থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরের এই জেলার জনগণকে একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দোয়া ও ইফতার মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-পঞ্চগড় জেলা সমিতির সভাপতি মাহাবুবুর রহমান ফারুকী, সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ ড. আব্দুর রহমান, দেবীগঞ্জ উপজেলা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সামিউর রহমান জিপু, সহ-সভাপতি আজিজ তাহের খান সাদী, সরোয়ার মহসিন বসুনিয়া, আব্দুল মালেক, সাংগঠনিক সম্পাদক যাকারিয়া ইবনে ইউসুফসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।