সুপার এইটে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৪ উইকেটের জয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। তবে এই ফলেই নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে গ্রুপে, পাকিস্তানের সেমিফাইনালের আশা এখনো টিকে আছে। নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইংল্যান্ড, আর কিউইদের ভাগ্য ঝুলে গেছে শেষ ম্যাচের ওপর।
১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের।
দ্রুত দুই ওপেনার বিদায় নিলে চাপে পড়ে দল। অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ২৬ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। জস বাটলার শূন্য রানে আউট হয়ে হতাশ করেন সমর্থকদের।
মাঝের ওভারগুলোতে স্পিনার রাচিন রবীন্দ্র দুর্দান্ত বোলিং করেন।
তিনি ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। শেষ তিন ওভারে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৪৩ রান, সমীকরণটা প্রায় অসম্ভবই মনে হচ্ছিল। তবে ১৮তম ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। গ্লেন ফিলিপসের সেই ওভারে ২২ রান তুলে নেন উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ।
জ্যাকস মারেন একটি ছক্কা ও দুটি চার, আর রেহান যোগ করেন একটি ছক্কা। এই ওভারেই ইংল্যান্ড নতুন করে ম্যাচে প্রাণ ফিরে পায়।
শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ২১ রান। উত্তেজনায় ভরা ম্যাচ গড়ায় শেষ ওভারে, যেখানে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৫ রান। প্রথম দুই বলে আসে ২ রান।
তৃতীয় বলেই চার মেরে জয় নিশ্চিত করেন ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা।
ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন টম বেন্টন। উইল জ্যাকস করেন ৩২ রান। আর শেষদিকে রেহান আহমেদ মাত্র ৭ বলে ১৯ রানের ঝড়ো ক্যামিও ইনিংস খেলে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন গ্লেন ফিলিপস এবং ৩৫ রান করেন টিম শেফার্ট।
এই জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের সেমির ভাগ্য এখন নির্ভর করছে পাকিস্তান-শ্রীলংকা ম্যাচের ফলের ওপর। ফলে ইংল্যান্ডের এই জয়েই নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে পাকিস্তানের সেমিফাইনালের স্বপ্ন।