জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ভঙ্গুর অর্থনীতি ও ভেঙে পড়া প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলেও বাস্তবমুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানিসহ প্রতিটি খাতকে স্বনির্ভর করতে তার সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা এবং চিকিৎসকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বয়সসীমা ও নিয়োগ সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো ইতিবাচকভাবে পর্যালোচনার আশ্বাস দেন তিনি। ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ নীতির ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, জনসচেতনতা বাড়াতে নতুন করে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক সচেতনতা জরুরি, তবে তা যেন পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো বাধার সৃষ্টি না করে। তিনি চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবকাঠামোগত উন্নতির পাশাপাশি চিকিৎসকদের মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার পূর্ণাঙ্গ সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিটি বিভাগীয় ও জেলা শহরে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু করেছে বলেও তিনি জানান।