ফরিদপুর কারাগারে মারা গেলেন সেই শাফি সিকদার। ভাঙ্গায় ছয় বছরের শিশু নাতনিকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হন দাদা শাফি সিকদার (৭৫)।
বুধবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে শাফি কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফরিদপুরের জেলা কারাগারের সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আসামি শাফি ২ নভেম্বর নারী শিশু নির্যাতন মামলায় কারাগারে আসেন। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। আজ বিকেলে শ্বাসকষ্ট সমস্যা শুরু হয়। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আইনিপ্রক্রিয়া শেষ করে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
শাফি সিকদার ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের পূর্ব সদরদী গ্রামের রজব আলী শিকদারের ছেলে।
গত শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে ১০ টাকার লোভ দেখিয়ে শিশুটির চাচাতো দাদা শাফি সিকদার নিজের একতলা ভবনের ভেতরে ডেকে নিয়ে যান। শাফির বাড়িতে কেউ না থাকায় শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টা করেন। এ সময় শিশুটি চিৎকার দেয়। প্রতিবেশী কয়েক নারী ওই ঘরে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে। এরপর বিষয়টি জানাজানি হয়। এর পরদিন দুপুরে শিশুটির বাবা ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। ওই দিন সন্ধ্যায় শাফিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।