March 31, 2026, 8:23 pm
Title :
ইরানে হামলার শিকার ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনুন, আমাদের প্রচুর তেল আছে: ট্রাম্প সপরিবারে আরেক শীর্ষ জেনারেল নিহত, নিশ্চিত করেছে ইরান ‘খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানো ট্রাম্পের হাতে, ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ইরানের হাতে’ হরমুজ থেকে নিজেদের তেল নিজেরা আনুন, যুক্তরাষ্ট্র আর সহায়তা করতে পারবে না: বিশ্বের উদ্দেশ্যে ট্রাম্পের বার্তা সংসদে নিজেকে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পরিবারের সন্তান দাবি শফিকুর রহমানের ২ লাখ ৬০ হাজার টন জ্বালানি তেল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত সরকারের স্কুল-কলেজে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম ৪ বছরে সর্বোচ্চ ইরানি হামলা থেকে বাঁচতে সরানো হয়েছে মার্কিন বৃহত্তম রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ড: ট্রাম্প

‘খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানো ট্রাম্পের হাতে, ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ইরানের হাতে’

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, March 31, 2026
  • 4 Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র ‘খারাগ দ্বীপ’ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধ্বংসাত্মক হুমকির কঠোর ও নজিরবিহীন জবাব দিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মার্কিন সৈন্যরা যদি ইরানের এই প্রধান তেল টার্মিনালে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের জীবিত ফিরে যাওয়ার কোনো পথ থাকবে না।

ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) এক বিস্ফোরক পোস্টে ট্রাম্পকে সরাসরি আক্রমণ করে লিখেছেন, ‘খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়তো ট্রাম্প নিতে পারেন, কিন্তু তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আর তার হাতে থাকবে না। কারণ, নরক থেকে কেউ কোনোদিন জীবিত ফিরে আসে না।’

উল্লেখ্য, এই পোস্টের সঙ্গে তিনি মার্কিন পতাকায় মোড়ানো সারিবদ্ধ কফিনের ছবি জুড়ে দিয়ে এক চরম ভীতিকর ও চ্যালেঞ্জিং বার্তা দিয়েছেন।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তেলকূপ এবং প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র খারাগ দ্বীপসহ সকল জ্বালানি সম্পদ ‘সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি দিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী খারাগ দ্বীপের কিছু সামরিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করেছে বলে ট্রাম্প দাবি করেন। ইরানের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত এই দ্বীপটি বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

এর আগে দুই সপ্তাহ আগে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি ‘ভদ্রতা ও সৌজন্যের খাতিরে’ তখন পর্যন্ত দ্বীপটির তেল অবকাঠামোতে সরাসরি বড় কোনো হামলা চালাননি। তবে তার শর্ত ছিল, ইরানকে অবশ্যই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে হবে। অন্যথায় খারাগ দ্বীপকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com