তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার গঠনের প্রথম ১৮০ দিনে কৃষিখাতের উন্নয়নে ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো কৃষক কার্ড প্রবর্তন, খাল খনন ও পুনঃখনন এবং ক্ষুদ্র কৃষকদের ঋণ মওকুফ। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে প্রায় ৪৭৫ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে, যা কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ভূমিকা রাখছে। এছাড়া, কৃষকদের সমন্বিত ডাটাবেজের আওতায় আনতে ইতোমধ্যে ১২ লাখ ৫০ হাজার কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকার ছয় মাসে ২৫ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। পাশাপাশি কৃষকদের আর্থিক ঝুঁকি কমাতে শস্যবিমার খসড়া তৈরি, সার বিতরণ নীতিমালার আধুনিকায়ন এবং কীটনাশক ব্যবহারে পরিবেশবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে। উত্তরাঞ্চলে উচ্চমূল্যের ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে নতুন প্রকল্প গ্রহণ এবং কৃষিপণ্য রপ্তানি সহজীকরণে ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
কৃষি অর্থনীতিবিদদের মতে, সাত লাখেরও বেশি কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফ এবং সহজ শর্তে ঋণ বিতরণের যে লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে, তা তৃণমূল পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কৃষি সচিব সেলিম খান জানিয়েছেন যে, নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী কৃষিকে আধুনিক, যান্ত্রিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে ধাপে ধাপে আরও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারের এসব উদ্যোগ কৃষক পর্যায়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে এবং দেশের কৃষিখাতকে বাণিজ্যিকভাবে আরও শক্তিশালী করছে।