September 3, 2026, 1:49 am
Title :
তামিমকে ছাড়িয়ে সবার উপরে হৃদয় ময়মনসিংহে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১০ ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানের সিটের নিচে ২০ কোটি টাকার স্বর্ণের বার উদ্ধার আদালত কক্ষে আইনজীবীর সাথে বিরিয়ানি খেয়ে কারাগারে গেলেন সাহেদ ১৪৬ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি, সেই কর কর্মকর্তা লিংকন রায় বরখাস্ত আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ ‘এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট’: রাশেদ খান প্রেমিকের ব্যবসার জন্য চার লাখ টাকা যৌতুক দাবি, স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন স্বামী টিভি সাংবাদিকদের সঙ্গে সভায় অহিংস কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি জামায়াতের সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খুপরি ঘরে বেড়ে ওঠা সালমার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে পাশে দাঁড়ালেন ডিসি ফরিদা

খুপরি ঘরে বেড়ে ওঠা সালমার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে পাশে দাঁড়ালেন ডিসি ফরিদা

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, September 3, 2026
  • 14 Time View

রাজধানীর মধুবাগের একটি খুপরি ঘরে বেড়ে ওঠা উম্মে সালমা এসএসসিতে পেয়েছেন জিপিএ-৫। বাবা মিরাজ আলী চা বিক্রেতা, মা নাজমা বেগম গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন। এমন অভাব-অনটনের সংসারেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া এই মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ডাক্তার হওয়া। তবে কলেজে ভর্তি ও পরবর্তী পড়াশোনার খরচ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছিলেন তিনি। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পর তার পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।

বুধবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সালমার হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন ডিসি ফরিদা খানম। কলেজে ভর্তি ও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে তাকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।

সালমার বাবা মিরাজ আলী বলেন, চা বিক্রির সামান্য আয়ে সংসার চালানোই কঠিন, মেয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাতে হয়েছে অনেক কষ্ট করে। মেয়ে এসএসসিতে ভালো ফল করায় তিনি খুশি, তবে কলেজের খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। জেলা প্রশাসক এগিয়ে আসায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সালমার মা নাজমা বেগম বলেন, তার মেয়ে ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী এবং তার স্বপ্ন ডাক্তার হওয়া। মেয়ের পড়াশোনা যেন কোনোভাবেই বন্ধ না হয়, সেটিই তাদের চাওয়া। জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় তারা এখন অনেকটাই আশ্বস্ত।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, অদম্য মেধা ও ইচ্ছাশক্তি থাকলে আর্থিক সংকট কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা হতে পারে না। প্রতিকূলতার মধ্যেও ভালো ফল করা সালমা তার মেধা ও পরিশ্রমের প্রমাণ রেখেছে। তার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নের কথা জেনে জেলা প্রশাসন তার পাশে দাঁড়িয়েছে এবং ভর্তি থেকে শুরু করে পড়াশোনা শেষ করা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সমাজের কোনো মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থী যেন অর্থের অভাবে ঝরে না পড়ে, সে বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে। এ ধরনের শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত। সালমা একদিন স্বপ্ন পূরণ করে ভালো চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com