নিজস্ব প্রতিবেদক, মোঃ মাইন উদ্দিন :
টানা তৃতীয় দিনের মতো বাংলাদেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের হওড় অধ্যুষিত উপজেলা নিকলীতে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে এ উপজেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের মধ্যে নিকলীতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। নিকলীতে এর আগে সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও এর আগেরদিন রোববার সর্বনিম্ন রেকর্ড করা হয়েছিল ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
নিকলী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম মাসুম স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েন, আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) শীতের তীব্রতা সামান্য বাড়তে পারে। বর্তমানে জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলতি মাসজুড়েই শীতের প্রভাব থাকবে এবং শীতের অনুভূতি কমার সম্ভাবনা নেই। তিনি আরও জানান, আগামীকাল তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।
তীব্র শীত আর কুয়াশায় কিশোরগঞ্জ জেলার সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ এবং বৃদ্ধ ও শিশুদের দুর্ভোগের শেষ নেই। শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেই প্রচণ্ড শীতে হাওরে কৃষি জমি ধান রোপণের জন্য তৈরির কাজ করতে হচ্ছে কৃষকদের। তবে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ সাদিকুর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমান তাপমাত্রায় ফসলের খুব একটা ক্ষতি হবে না। কিন্তু তাপমাত্রা আরও নেমে গেলে হাওড়ের বীজতলা ও শাক-সবজির ক্ষতি হবে।