December 1, 2025, 4:27 am
Title :
‘সমুদ্রে অবৈধ ও অতিরিক্ত মৎস্য আহরণে মাছের সংস্থান কমে যাচ্ছে’ দেশের ৩৩ শতাংশ মানুষ রোগাক্রান্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের একমাত্র সমাধান: পোপ লিও সশস্ত্র বাহিনীর বঞ্চিত সদস্যদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা বেলুচিস্তানে এফসি সদর দপ্তরে হামলা, পাল্টা হামলায় ৩ সন্ত্রাসী নিহত হঠাৎ পাল্টে গেলো বাংলালিংকের লোগো, সামাজিকমাধ্যমে চলছে আলোচনা কক্সবাজারে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা এবং কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার রেহানা-টিউলিপের রায় সোমবার খালেদা জিয়ার অসুস্থতার জন্য হাসিনা সরকার দায়ী: রাশেদ খান খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল, কিছুটা ভালোর দিকে: তথ্য উপদেষ্টা

নির্বাচন ঠেকাতে বহুমুখী কৌশল

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, November 12, 2025
  • 45 Time View

সরকার চায় নির্বাচন, কিছু মহল চায় পশ্চাৎপসরণ। উপদেষ্টা পরিষদের কেউ কেউ চান আরো সময়। ছাত্রশক্তির ‘এনসিপি’ প্রকাশ্যে সময় চায়। জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের সময় বিষয়ে উদারপন্থী। তবে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন আয়োজনে ড. ইউনূস আত্মপ্রত্যয়ী। অন্যদিকে ‘প্রাইমারিলী টার্মিনেটেড’ আওয়ামী লীগ আক্রমণাত্মক। ১৪ দলীয় জোটকে ভোট করতে না দেয়ায় অগ্নিশর্মা। জাপা, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি হয়ে নির্বাচনের পথও অনেকটা বন্ধ। সরকার বা নির্বাচন কমিশনের রাজনৈতিক বৈঠকে তারা নেই। ঐকমত্য কমিশনেও তাদের ডাকা হয়নি, যেনো অচ্ছুৎ।
আওয়ামী লীগকে এখন বলা হয় ‘প্রবাসলীগ’। কারণ দেশের ভেতরে সুবিধে করতে পারছে না। ১৩ নভেম্বর-এর ‘ঢাকা লকডাউন’ জমছে না। শেখ হাসিনার রায় বিষয়ক গতি চলমান। ফলে অন্যপন্থায় সুযোগ খুঁজছে আওয়ামী লীগ। জাতিসংঘের পক্ষে সেনাবাহিনীকে চাপ দেয়া। ‘পিসকিপিং ফোর্স’-এ রাখা, না রাখার কৌশল। ২০২৪-এর পয়লা আগস্ট যেমনটি ঘটেছিলো। মানুষ হত্যায় সামরিক বাহিনী থাকতে পারবে না। থাকলে ‘পিসকিপিং ফোর্সে’ কন্ট্রাক্ট বাতিল হবে। অর্থাৎ প্রায় ১০ হাজার সৈন্যের বৈদেশিক মুদ্রার আয় বন্ধ। এজন্যে মিডলেভেল অফিসাররা এককাট্টা। তারা হাসিনা সরকারের ক্ষমতারক্ষার তাঁবেদার হয়নি। এমন বিদ্রোহের তাপে সেনাপ্রধানও সুর মেলান। জে. ওয়াকারুজ্জামান পক্ষ বদল করেন। অধিকাংশজনের মতে তিনি সঠিক খেলাই খেলেছেন।
জাতিসংঘের ‘পিসকিপিং থেরাপি’ আরেপের চেষ্টা চলছে। আসন্ন নির্বাচনে আইনশৃংখলা সামরিক বাহিনীর হাতে। ৯০ হাজার থেকে এক লাখ সৈন্য দায়িত্বরত থাকবে। তাদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। যুক্তি যে, নির্বাচনটি ইনক্লুসিভ বা সার্বজনীন নয়। নিবন্ধন থাকলেও ১৪ দলীয় জোট ভোটের বাইরে। বিষয়টি জাতিসংঘ অনুসৃত নীতিমালায় যায় না। সেক্ষেত্রে জাতিসংঘ একটি চিঠি দিতে পারে। বক্তব্য, নির্বাচন ইনক্লুসিভ না হলে দায়িত্বে থাকবে না সেনাবাহিনী। শর্ত না মানলে ‘পিসকিপিং’ চুক্তি বাতিল। এমন একটি নির্দেশনার জন্যে পাগল হয়ে খাটছে আওয়ামী লীগ। নির্দেশনা এলেই ভোটের গাড়ি আপাতত অবসরে যাবে।
নির্বাচন বিষয়ে নেয়া হয়েছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকার। দেশ ও প্রবাসের ৩ জন খ্যাতিমান কথা বলেছেন।

জিতুক না জিতুক, নেতা-কর্মীরা এখন নির্বাচনে
নেমেছে ◾গণফোরাম সভাপতি সুব্রত চৌধুরী
রাজনীতিক সুব্রত চৌধুরীর জন্ম বৃহত্তর চট্টগ্রামে। একাত্তরের ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ছাত্র ইউনিয়ন দিয়ে তরুণ্যে রাজনীতির শুরু। এখন ‘গণফোরাম’-এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। মোস্তফা মহসীন মন্টুর মৃত্যুতে এই পদায়ন। ২০২৫-এর ২৬ জুলাই থেকে শীর্ষ পদে। ২০০৪-এর ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে দেখিয়েছেন সক্রিয়তা। টিভি-টকশোতেও পেয়েছেন জনপ্রিয়তা। পেশাগতভাবে হাইকোর্ট সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী। ড. কামাল প্রতিষ্ঠিত ‘গণফোরাম’ রাজনীতির মুখ্যমুখ। ‘ঠিকানা’ প্রতিনিধির মুখোমুখি ছিলেন প্রাণবন্ত। বলেন অ্যামেরিকায় অনেকবার গিয়েছি। ঠিকানা, জ্যাকসন হাইটস, জ্যাম্যইকা একান্ত পরিচিত। মেরিল্যান্ডে থাকলেও নিউইয়র্কে বেশিটা সময় কাটে। বলেন, নিউইয়র্কে গণফোরাম-এর সমর্থক ফোরাম হোক, আমরা চাই । উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল রাজনীতি আমাদের লক্ষ্য।
প্রশ্ন : আসন্ন নির্বাচন বনাম রাজনৈতিক জটিলতা। সচেতন মহলে এ বিষয়ে ঢের আশংকা। আপনারা কিভাবে দেখছেন বিষয়টি?
উত্তর : জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অনেক সুযোগ এনে দিয়েছিলো। কিন্তু আমরা পুরোটা কাজে লাগাতে পারিনি। তরুণ ও অন্যান্যরা আত্মাহুতি দিলো। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বৃহত্তর রাজনৈতিক আন্দোলন। ভেবেছিলাম প্রগতিশীলতার উন্নয়ন ও ধর্মান্ধতার অবসান হবে। ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রত্যয় ছিলো পবিত্র সংবিধানে। কিন্তু ধর্মীয় রাজনীতির অবিশ্বাস্য উত্থান ঘটছে।
প্রশ্ন : এর মানে সংস্কার, জুলাই সনদ, ঐকমত্যÑ এগুলো মুখ্য থাকছে না?
উত্তর : প্রচেষ্টা অনেক চললো, কিন্তু ঐকমত্যে পৌঁছানো গেলো না। বরং আরো নতুন বিষয় এসেছে। নতুন সংবিধান রচনায় ‘গণপরিষদ গঠন’। এছাড়া ‘জুলাই সনদে’ ছাত্রদের ‘এনসিপি’ স্বাক্ষর করেনি। অন্যদিকে প্রস্তাবিত সনদে ‘নোট অফ ডিসেন্ট’ ছিলো। সেভাবে রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করলো। কিন্তু চূড়ান্ত কপিতে সেগুলো হাওয়া। ফলে ঐকমত্য কমিশনের প্রতি আস্থা থাকলো না।
প্রশ্ন : পি-আর পদ্ধতি আর গণভোট বিষয়ে দাবি উঠছে। জামাতের নেতৃত্বে ৬ দল প্রতিবাদ সভা করছে। এতে অনেকের সন্দেহ নির্বাচন পিছিয়ে যাবে। আপনার মূল্যায়ন বা পর্যালোচনা কি?
উত্তর : দেখুন, জুলাই আন্দোলনের বড় বেনিফিশিয়ারি কে? অবশ্যই সেক্ষেত্রে ‘জামায়াতে ইসলামী’র নাম আসবে। নির্বাচন না করেই তারা প্রশাসনের অংশিদারীত্ব পেয়েছে। তারা জুলাই সনদ নিয়ে ‘গণভোট’ চায়। জনগণের কাছে বিষয়টি সহজবোধ্য নয়। বিএনপি মহাসচিব বলেছেন সংবিধান সম্মতও নয়। ফলে হ্যাঁ-এর বদল না-এর সংখ্যাই বেশি হবে। তাই আমরাও চাই আগে সংসদ নির্বাচন। নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই সব জটিলতার নিরসন করবে।
প্রশ্ন : তাহলে আপনারা মনে করছেন নির্বাচনই সব সমাধান?
উত্তর : তাছাড়া আর উপায় কোথায় বলেন? ১৬/১৭ বছর জনগণ ভোট দিতে পারেনি। তরুণ ভোটাররা এনআইডি পেলেও সুষ্ঠু নির্বাচন পায়নি। ফলে সারাদেশ ও প্রবাসও নির্বাচনে মেতে উঠেছে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো বিকল্প নেই। কেউ জিতুক, আর না জিতুক, নেতা ও কর্মীরা নির্বাচনে নেমে গেছে।
প্রশ্ন : নির্বাচনে ১৪ দলের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, কিন্তু অন্য ১৩ দল? তাদেরকে সরকার বা নির্বাচন কমিশন ডাকছে না। কোনো সভা, মতবিনিময় বৈঠকে তাদের আমন্ত্রণ নেই। জাতীয় পার্টি, ন্যাপ, জাসদ, ওয়ার্কাস পার্টি নিবন্ধিত দল। কোনো আইন বা সরকারি প্রজ্ঞাপন দ্বারা নিষিদ্ধ নয়। একজন সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে বিষয়টি কিভাবে দেখছেন?
উত্তর : দেখুন, তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর হিসেবে দোষী। প্রশাসনিকভাবে না হলেও রাজনৈতিকভাবে তারা পরিত্যাজ্য। আমরা চাই না, দুর্গন্ধ ছড়াতে তারা নির্বাচনে আসুক।
প্রশ্ন : অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে ব্যতিব্যস্ত। ২৬০টির মতো সংগঠন/প্রতিষ্ঠান দাবি-দাওয়ার আন্দোলন করছে। প্রায়শ সচিবালয়, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ ঘেরাও করছে। ফলে শুরু থেকেই এই সরকার ভিন্নখাতে সময় দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে একটি ‘দাবি-দাওয়া কমিশন’ গঠনের প্রস্তাব এসেছে। স্মারকলিপি গ্রহণের মাধ্যমে বিষয়গুলো সমন্বয় করবে। অন্তর্বর্তী সরকারের উপরে থেকে চাপ কমবে। এ বিষয়ে আপনার স্পষ্ট মতামত কি?
উত্তর : এই প্রস্তাবনাটি ২০২৪ এর আগস্টে এলে আরো ভালো হতো। ১৫/১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট সরকার দাবি-দাওয়া শুনতো না। আমরাও তো টিভিতে টক-শো করতে পারতাম না। অভ্যুত্থানে নানা পেশার মানুষ প্রশান্তি পেয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারও মানুষের দাবি-দাওয়াকে গুরুত্ব দিয়েছে। কিন্তু তাতে সরকারের মূল কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনো ‘দাবি-দাওয়া কমিশন’ গঠন করা সম্ভব। সরকার বলবে নির্বাচন পর্যন্ত ওসব আমাদের কাজ নয়। ‘সেকেন্ড ক্যাপিটালে’ ‘দাবি-দাওয়া কমিশনে’ যান। সেখানে লিখিতভাবে দাখিল করুন কি চান। শহরের কেন্দ্রস্থলে মিছিল, সভা, মানববন্ধন চলবে না। ট্রাফিক জটে ত্যক্ত-বিরক্ত রাজধানীবাসীকে প্রশান্তিতে থাকতে দিন।
প্রশ্ন : নতুন রাজনীতিতে প্রবাসীরা নতুন কি পেলো? রেমিটেন্স যোদ্ধাদের প্রতিনিধিরা কি সংসদে সংরক্ষিত আসন পাবে না?
উত্তর : না, প্রবাসীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সম্ভব নয়। তাতে অপরাপর পেশাজীবীরাও দাবি-দাওয়া যোগ করবে। কিন্তু ‘ডুয়েল সিটিজেনসিপে’ নির্বাচন করতে পারবে। প্রবাসী ভোটাধিকার এখন নিশ্চিৎ হচ্ছে। সংসদে প্রবাসীদের দাবি-দাওয়াকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। আমরা ‘গণফোরাম’ থেকে এ বিষয়ে সুপারিশমালা প্রস্তুত করছি। তাতে ব্যাপকভাবে প্রবাসীদের মতামত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গণফোরাম-এর পল্টন অফিসে সাক্ষাৎকারটি গৃহীত। সমন্বয় করেন তথ্য-প্রচার সম্পাদক টিএইচএম জাহাঙ্গীর।।

ভোট করার অধিকার ড. ইউনূস সরকারের নেই
◾ যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান
চলমান আন্দোলনে শেখ হাসিনার প্রধান সিপাহশালার। ড. সিদ্দিকুর রহমানের জন্ম ১৯৫৭-এর ২২ সেপ্টেম্বর। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের বগুড়া অঞ্চলে। ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক। পরবর্তীতে আমেরিকার নিউক্যাসেল ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স। পিএইচডিও করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই। বিয়ে ১৯৭৪-এর ১৪ আগস্ট, শাহানারা রহমানকে শোকদিবসের পূর্বরাত হওয়ায় বিবাহবার্ষিকী পালনে দ্বিধাগ্রস্থ। সন্তান সাবরিনা রহমান ও সাজেদুর রহমান আমিন ।
স্ত্রী শাহানারা রহমান আন্দোলন-সংগ্রামে ড. সিদ্দিকের নিত্যসঙ্গী। সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি প্রয়াত আব্দুল মান্নান ভায়রা। এক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।
১৩ নভেম্বর ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। পালাতকা নেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার রায় রয়েছে। এ প্রসঙ্গে ড.সিদ্দিকুর রহমান বলেন বিষয় তেমনটি নয়। আসলে দলনেত্রীর বিরুদ্ধে বিচারের প্রক্রিয়া সঠিক হচ্ছে না। বৃটেনের প্রখ্যাত অ্যাটর্নিরা আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দিয়েছে। বাংলাদেশের আইসিটি আদালতে এই মামলা গ্রহণের বিধানই নেই। তাছাড়া ইউনুস সরকার বিচার করার কে? তাদের নিজেদেরই বৈধতা নেই, সংবিধানিক অধিকারও নেই। আমরা একাবাক্যে ইউনুস সরকারের পদত্যাগ চাই ।
ফেব্রুয়ারিতে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ড. সিদ্দিকুর মতামত দেন। বলেন, জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনের বক্তব্য শুনুন। ইউনুস সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত করেছে। নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার, খুন, অত্যাচারের মচ্ছব চলাচ্ছে। ‘নৌকা’ প্রতীকে নির্বাচন কমিশন হাওয়া করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগসহ ভোটের ১৩ দল নির্বাচনী অনিশ্চয়তা। নির্বাচিত দল হয়েও তাদের নির্বাচনী অধিকার নেই। তাছাড়া ইউনুস সরকার নির্বাচন করার বা হস্তান্তরের কে? আমাদের নেত্রী বলেছেন ‘নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক’ সরকার চাই। তাদের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আমরা জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য লড়াই করছি।
কিন্তু ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি কি সফল হবে? কাঁধে ১৪০০ লাশের ভার আওয়ামী লীগের ওপর। সিংহভাগ মানুষ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের উপর চরম ক্ষুদ্ধ। আক্রমণাত্মক কর্মসূচিতে দলের শান্তিপ্রিয় কর্মীরা অসন্তুষ্ট। তাদের কথা, পলাতক নেতারা আরাম-আয়েসেই আছেন। আর নির্যাতন অত্যাচারের মধ্যে ফেলেছেন আমাদের।
ড. সিদ্দিক বলেন, এসব কষ্টের কথা আমরা জানি। তবে একটু কষ্ট না করলে কেষ্ট মিলবে না। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তাড়ানো হয়েছে। কিন্তু তিনি আবারও দেশে ফিরতে চান। বঙ্গবন্ধুর সমাধির পাশেই শেষজীবন কাটাতে চান। মহান সৃষ্টিকর্তা ওনাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন দেশসেবার জন্যই। আমরা আশাবাদী বঙ্গবন্ধু কন্যার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।

ভোটকালীন সন্ত্রাস বিষয়ে সমাজ উদ্বিগ্ন
◾ ঢাকাস্থ ‘জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন’ সভাপতি কয়েস সামি
বর্ণাঢ্য পরিবারের সন্তান সিএম কায়েস সামি। সহোদর শফি সামি পররাষ্ট্র সচিব ও সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। বড় সহোদর তোফায়েল সামি ছিলেন ‘জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনে’র সভাপতি। একই পদে বর্তমানে সাবেক ব্যাংকার কয়েস স্বামী। জন্ম নানাবাড়ি সিলেট শহরে, ১৯৪৭-এ। বলা চলে শেখ হাসিনার সমান বয়সী তিনি। পেশাজীবনের শেষে ‘প্রবাসী ব্যাংকে’র এমডি ছিলেন। নির্বাচন ও সামাজিক জীবন বিষয়ে বাস্তবসম্মত বক্তব্য রাখেন। বলেন সমাজে বা পাড়ায় এত প্রচার প্রচারণা দেখিনি। কান ঝালাপালা হওয়ার উপক্রম। নভেম্বর-ডিসেম্বরে স্কুলসমূহে বার্ষিক পরীক্ষা। কিন্তু রাজনৈতিক প্রচারণায় কোন বিধি-নিষেধ নেই। ভোটের চেয়ে গণভোট, পি-আর পদ্ধতি বিষয়ে শ্লোগান, জনসভার আহ্বান বেশি। ঢাকাস্থ ২২ কাওরান বাজারে ‘জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন’। সেখানে বসেই বললেন, আমরা সামাজিক কার্যক্রমে আছি। শান্তিপ্রিয় জীবন প্রতিটি নাগরিকের কাম্য। কিন্তু নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, আশংকা বাড়ছে। রাজধানীতে প্রকাশ্যে খুন হচ্ছে মানুষ। গ্রামেও দ্বন্দ্ব-ফ্যাসাদ প্রতিদিনই ঘটছে। দলের মনোনয়ন নিয়ে চরম সংঘাত চতুর্দিকে।
বললেন, আমরা সামাজিক সংগঠনের কার্যক্রম কমাচ্ছি। আমি দেশের কাজ গুটিয়ে বিদেশে যাচ্ছি। ইউরোপ টু আমেরিকা ২ মাসের সফর। আশাকরি প্রবাসে সংগঠনের কাজ তুলনামূলকভাবে ভালো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com