প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব নাকচ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার ‘প্রাথমিকে নতুন মূল্যায়ন নির্দেশিকা ২০২৬ অনুমোদন কমিটি’ এই সিদ্ধান্ত দেয়। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রাথমিকের নতুন পদ্ধতি চালুর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
সভায় জানানো হয়, নতুন পদ্ধতি চালু হলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। সামনে জাতীয় নির্বাচন ও নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ায় প্রস্তুতিরও সুযোগ নেই। তাই বর্তমান মূল্যায়ন পদ্ধতি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
অবশ্য এনসিটিবির প্রাথমিক শিক্ষাক্রম উইংয়ের সদস্য ইকবাল হায়দার সমকালকে জানান, প্রস্তাব পুরোপুরি বাতিল হয়নি; মানবণ্টনে কিছু পরিবর্তন হতে পারে।
বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে কোনো লিখিত পরীক্ষা নেই; তৃতীয় থেকে পঞ্চমে ৫০ শতাংশ সামষ্টিক (লিখিত) ও ৫০ শতাংশ ধারাবাহিক মূল্যায়ন চালু আছে। এনসিটিবি প্রস্তাবে প্রথম-দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৫০: ৫০ এবং তৃতীয়-পঞ্চমে ৭০:৩০ অনুপাতে লিখিত পরীক্ষা ও ধারাবাহিক মূল্যায়নের প্রস্তাব করেছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘন ঘন মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা বিভ্রান্ত হন। ২০২৩ সাল থেকে তিন বছরে তিন দফা পরিবর্তনের পর নতুন মূল্যায়ন আনার উদ্যোগ অযৌক্তিক ও অটেকসই বলেও মন্তব্য করেন তারা।