ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার দক্ষিণ আকনবাড়িয়া এলাকায় মুরাদ খন্দকার ছোট বোনকে ঘরে নিয়ে যায়। তাকে আনতে গেলে বড় বোনকে ধর্ষণ করেন তিনি। এ ধর্ষণের দায়ে মুরাদ খন্দকারকে (৪৩) আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার দুপুরে ফরিদপুর শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভিন এ রায় প্রদান করেন। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০১৯ সালের ১৫ মে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার দক্ষিণ আকনবাড়িয়া গ্রামে বিকালে বাড়ির বাইরে খেলা করছিল শিশুটি। এ সময় প্রতিবেশী মুরাদ খন্দকার বাদীর ছোট মেয়েকে নিয়ে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে শিশুটির বোন তাকে আনতে গেলে আসামি মুরাদ বড় বোনকে ধর্ষণ করে। পরে ধর্ষণের বিষয়টি তার মায়ের কাছে বলে দেয়। পরে এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ভাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।
রায়ের বিষয়ে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভুঁইয়া রতন জানান, ভাঙ্গায় এক শিশুকে ধর্ষণের অপরাধে আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দেন। একই সঙ্গে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
তিনি বলেন, আদালতে আমরা সর্বোচ্চ বিচার পেয়েছি। এ রায়ে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ খুশি।