August 17, 2026, 9:21 am
Title :
বক্তব্য ও বিতর্কে ছয় মাসে আলোচনায় যে সব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী গণঅধিকার পরিষদ এখন গণধিকৃত পরিষদ: আমির হামজা সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা ও বাজার ব্যবস্থাপনা প্রতিশ্রুতির কতটা বাস্তবায়ন হলো, কী বলছেন বিরোধীদল ও বিশ্লেষকেরা তারেক রহমানের বিএনপি সরকারের প্রথম ছয়মাস কেমন কাটল? সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা আজ জনসম্মুখে ডিএফওকে ফোন মন্ত্রীর, রেঞ্জ কর্মকর্তাকে বদলির অনুরোধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কার্যকর তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর শিক্ষার্থী হেনস্থায় প্রভোস্টের পদত্যাগ ও সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি ছাত্রকে অবরুদ্ধ করে ‘ভয়ভীতি প্রদর্শন’, প্রভোস্ট বললেন ‘নাস্তা করিয়েছি’

বন ধ্বংস-খাদ্যসংকটে বিলুপ্তির শঙ্কায় বন্যহাতি

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, July 26, 2026
  • 28 Time View

কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকা আগে যেখানে হাতির পালের স্বচ্ছন্দ বিচরণ দেখা যেত, সেখানে বর্তমানে বন উজাড়, পাহাড় কাটা ও অনিয়ন্ত্রিত বসতির প্রসারের ফলে হাতিদের আবাসস্থল সংকুচিত হয়ে পড়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প, রেললাইনসহ বিভিন্ন স্থাপনা ও অবৈধ দখল হাতি চলাচলের প্রাকৃতিক করিডোর বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে খাবারের সন্ধানে অনেক হাতি লোকালয়ে আসে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দুর্বল ও অপুষ্ট অবস্থায় দেখা যায় এবং মানুষ-হাতি সংঘাত বেড়েছে।

স্থানীয় পরিবেশকর্মী মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী ও বন বিভাগের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানালেন, বনাঞ্চলে হাতির খাদ্যব্যবস্থা বজায় রাখার জন্য বাগান রোপণ ও অন্যান্য প্রকল্প চলছে কিন্তু চলাচলের পথ আর আগের মতো নেই। আন্তর্জাতিক সংস্থা আইইউসিএনের ২০১৬ সালের জরিপে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের এলাকায় বর্ষাকালে ৪৮টি এবং গ্রীষ্মকালে গড় একশত פחות — ৭৮টি বন্যহাতির চলাচল রেকর্ড করা হয়েছিল, তবে বর্তমান সঠিক সংখ্যা জানা নেই। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী এক পুরোদস্তুর হাতি প্রতিদিন প্রায় ২০০ কেজি খাবার চাহিদা মেটায় এবং গড়ে প্রায় ২০ কিলোমিটার হাঁটে, যা আজকের বিচ্ছিন্ন বনাঞ্চলে রক্ষা করা কঠিন।

টেকনাফে খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে এসে একটি বন্য মা হাতি ১১ জুলাই উঁচু পাহাড় থেকে পড়ে মারা যাওয়ার ঘটনা সম্প্রতি পরিবেশগত সংকট তুলে ধরেছে। স্থানীয় শিক্ষক ইলিয়াস, বাসিন্দা নজরুল ইসলাম ও বন বিভাগের টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ সবাই সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়েছেন — করিডোর সংরক্ষণ, বন উজাড় বন্ধ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, আহত হাতির দ্রুত উদ্ধার, স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা ও নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. অনীক চৌধুরী বলেন প্রশাসন হাতি সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং করিডোরের ধসকে নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বন বিভাগের উদ্যোগে ২৭টি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে যা স্থানীয় মানুষকে সচেতন করা ও হাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজ করছে, তবু সময়োপযোগী সমন্বয় ও ব্যাপক কার্যক্রম না গেলে টেকনাফের বন্যহাতির টিকে থাকার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিতই থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com