হরমুজ প্রণালি নিয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল কিংবা তাদের সামরিক অভিযানে সহায়তাকারী দেশগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজের জন্য বন্ধ থাকবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন হাসানের সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে জানান, অন্যান্য দেশের জাহাজ নির্দিষ্ট সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রণালিটি ব্যবহার করতে পারবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে ফিলিপাইন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি বাংলা।
তেল সরবরাহে বিঘ্নিত হওয়ার প্রভাবে খুব কম দেশই ফিলিপাইনের চেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। দেশটি ৯৮ শতাংশ তেল উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আমদানি করে। গত ৩ সপ্তাহে একাধিকবার জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে দেশটিতে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সেখানে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।
দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী বলেছেন, ‘ফিলিপাইনের কাছে প্রায় ৪৫ দিনের জ্বালানি মজুদ রয়েছে।’
জ্বালানি সরবরাহের প্রতি ‘আসন্ন বিপদের’ কথা উল্লেখ করে এক নির্বাহী আদেশে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র বলেন, ‘এই ঘোষণাটি সরকারকে জ্বালানি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং বৃহত্তর অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আইনি ক্ষমতা দেবে।’