December 1, 2025, 5:51 am
Title :
‘সমুদ্রে অবৈধ ও অতিরিক্ত মৎস্য আহরণে মাছের সংস্থান কমে যাচ্ছে’ দেশের ৩৩ শতাংশ মানুষ রোগাক্রান্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের একমাত্র সমাধান: পোপ লিও সশস্ত্র বাহিনীর বঞ্চিত সদস্যদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা বেলুচিস্তানে এফসি সদর দপ্তরে হামলা, পাল্টা হামলায় ৩ সন্ত্রাসী নিহত হঠাৎ পাল্টে গেলো বাংলালিংকের লোগো, সামাজিকমাধ্যমে চলছে আলোচনা কক্সবাজারে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা এবং কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার রেহানা-টিউলিপের রায় সোমবার খালেদা জিয়ার অসুস্থতার জন্য হাসিনা সরকার দায়ী: রাশেদ খান খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল, কিছুটা ভালোর দিকে: তথ্য উপদেষ্টা

শকুনের বাসায় ৬৭৫ বছরের বিস্ময়

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, October 11, 2025
  • 69 Time View

সম্প্রতি ‘ইকোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় তারা এক চমকপ্রদ তথ্য আবিষ্কারের কথা জানান।

আপনার আলমারিতে সবচেয়ে পুরোনো পোশাকটা কী? হয়তো আপনার দাদার দেয়া একটা টুপি, কিংবা স্কুলজীবনের পুরোনো জ্যাকেট। কিন্তু ভাবতে পারেন! কারও কাছে আছে ৬৭৫ বছর আগের এক জুতো তাও আবার সম্পূর্ণ অক্ষত।

অবাক করার মতো হলেও এটাই সত্যি। সম্প্রতি স্পেনে একটি শকুনের বাসা থেকে উদ্ধার হয়েছে অবিশ্বাস্য এক জিনিস। ৬৭৫ বছর পুরোনো একটি জুতো, যা এখনো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, একজোড়া ঘাসের দড়ি দিয়ে তৈরি স্যান্ডেল, যা আশ্চর্যভাবে অক্ষত অবস্থায় টিকে আছে। দেখে মনে হয় যেন কোনো টাইম ক্যাপসুলে সযত্নে রাখা ছিল।

স্প্যানিশ ন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিলের পরিবেশবিদ অ্যান্টনি মার্গালিদা জানান, দক্ষিণ স্পেনের পাহাড়ে অবস্থিত বেয়ারডেড প্রজাতির শকুনের একটি বাসা থেকে তারা যা আবিষ্কার করেছেন তা টাইমক্যাপস্যুল থেকে কোনও অংশে কম না।

গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মার্গালিদা ও তার সহকর্মীরা এই বিপন্ন প্রজাতির শকুনের বাসাগুলো নিয়ে গবেষণা করছেন। সম্প্রতি ‘ইকোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় তারা এক চমকপ্রদ তথ্য আবিষ্কারের কথা জানান।

এই শকুনগুলো নাকি মানুষের তৈরি জিনিস সংগ্রহ ও সংরক্ষণের দারুণ অভ্যাস রাখে। মনে হচ্ছে, যেন তারা প্রকৃতির মধ্যেই এক ‘আর্কাইভ’ বা সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছে।

মার্গালিদা বলেন, ‘আমরা একটি পুরনো স্যান্ডেলের অবশিষ্টাংশ, একটি প্রাচীন বর্শার ডগা এবং রঙ করা চামড়ার একটি টুকরা উদ্ধার করেছি। এই জিনিসগুলো এত ভালো অবস্থায় থাকতে পারে এমনটা আমরা ধারণা করতে পারিনি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, শকুনরা তাদের বাসা পাহাড়ের গুহার মধ্যে তৈরি করে, এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই বাসাটি ব্যবহার করেছে। এই উঁচু গুহাগুলো ছোট শকুনের বাচ্চাদের নিরাপদ রাখতে একদম উপযুক্ত। এছাড়া গুহার স্থির তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা জুতো, কাপড়ের টুকরার মতো নানা জিনিস সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে। এসব জিনিস সম্ভবত বাসা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছিল।

মার্গালিদার মতে, এটি একরকম প্রাকৃতিক জাদুঘরের মতো। আমরা যখন কিছু জিনিসপত্রের বয়স নির্ধারণ করি, তখন দেখা যায় সেগুলো ১৩শ শতাব্দীর। এটি সত্যিই অত্যন্ত চমকপ্রদ ছিল।’

কিন্তু তারা বাসায় যা পেয়েছিল তার বেশিরভাগই ছিল হাড়ের টুকরো।

ইউরোপের বেশিরভাগ অংশে এ প্রজাতির শকুনদের নির্মমভাবে শিকার করে বিলুপ্ত করা হয়েছিল। এমনকি স্প্যানিশ সরকার ১৯৫০ সাল পর্যন্ত এদের শিকার করার জন্য লোকেদের অর্থও দিয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com