January 16, 2026, 4:34 am
Title :
ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তদারকিতে কমিটি অপরিচিত নাম্বার থেকে মিঠুনকে হুমকি ট্রাম্পের সাথে দেখা করতে হোয়াইট হাউসে পৌঁছেছেন মাচাদো খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী আজ না ফেরার দেশে ‘মিস ক্যালকাটা’ খ্যাত অভিনেত্রী জয়শ্রী কবির পাসওয়ার্ড জটিলতা পোস্টাল ভোটারদের কল সেন্টারে যোগাযোগের আহ্বান ইসির ১১ দলের নির্বাচনী ঐক্যের ‘ঐতিহাসিক যাত্রা’ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ইয়াছিন, পেলেন সমন্বয়কের দায়িত্ব গ্রিনল্যান্ড দখলে অনড় যুক্তরাষ্ট্র, পাল্টা জবাবে সেনা পাঠাচ্ছে ইইউ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বরদাশত করবো না: জামায়াত আমির

শিক্ষার্থীদের জন্য দুঃসংবাদ, ভর্তি নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে অস্ট্রেলিয়া

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, October 29, 2025
  • 56 Time View

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা অস্ট্রেলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী সংখ্যার অর্ধেকের বেশি অংশ দখল করছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়া একটি পছন্দের গন্তব্য। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশটির বিভিন্ন শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জুড়ে একটি বড় অংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী। তবে এবার বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি সীমিত করার পরিকল্পনা করছে অস্ট্রেলিয়ান সরকার। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্যাম্পাসে দেশীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি রাখার নির্দেশ দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান সরকার।

টাইমস হাইয়ার এডুকেশনের একটি প্রতিবেদনের অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা মন্ত্রী জেসন ক্লেয়ার বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষার্থীদের মোট ভর্তি সংখ্যার ৫০ শতাংশ এর বেশি হওয়া উচিত।

স্কাই নিউজকে ক্লেয়ার বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো অস্ট্রেলিয়ান শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেওয়া।

এমন সময় ক্লেয়ার এ কথা বললেন যখন সিডনি ইউনিভার্সিটি, মারডক ইউনিভার্সিটি আরএমআইটি ইউনিভার্সিটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা মোট শিক্ষার্থী সংখ্যার অর্ধেকের বেশি অংশ দখল করছে।

ইকোনমিক টাইমস জানায়, সিডনি ইউনিভার্সিটিতে ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫১ শতাংশ যা ২০২৩ সালে ছিল ৪৯ শতাংশ এবং মহামারির আগে ছিল ৪৩ শতাংশ।

মারডক ইউনিভার্সিটির এই সংখ্যা ৫৭ শতাংশ আর আরএমআইটি ইউনিভার্সিটির গত বছরই ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।

অন্য শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিস্থিতিও প্রায় একই রকম। ২০২৪ সালে নিউ সাউথ ওয়েলস ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৭ শতাংশ, ওলংগং ইউনিভার্সিটিতে ৪৬ শতাংশ, মনাশ ইউনিভার্সিটিতে ৪৫ শতাংশ আর মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটিতে ৪৪ শতাংশ।

বিদেশি শিক্ষার্থীর ওপর অস্ট্রেলিয়ার এই বাড়তি নির্ভরতা মূলত আর্থিক চাপের কারণে, যা প্রায় দশ বছর আগে শুরু হয়। তখন সরকারের অর্থায়নের অনিশ্চয়তার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অতিরিক্ত রাজস্ব উৎস খুঁজতে শুরু করে।

২০১৩ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে সিডনি ইউনিভার্সিটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুইগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ১২,৩০০ থেকে ২৬,০০০ পর্যন্ত।

এখন সরকারের বার্তা হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষার্থীদেরকে দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা জরুরি। তবে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরাও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রাজস্ব ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের জন্য এখনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com