December 1, 2025, 5:17 am
Title :
‘সমুদ্রে অবৈধ ও অতিরিক্ত মৎস্য আহরণে মাছের সংস্থান কমে যাচ্ছে’ দেশের ৩৩ শতাংশ মানুষ রোগাক্রান্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের একমাত্র সমাধান: পোপ লিও সশস্ত্র বাহিনীর বঞ্চিত সদস্যদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা বেলুচিস্তানে এফসি সদর দপ্তরে হামলা, পাল্টা হামলায় ৩ সন্ত্রাসী নিহত হঠাৎ পাল্টে গেলো বাংলালিংকের লোগো, সামাজিকমাধ্যমে চলছে আলোচনা কক্সবাজারে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা এবং কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার রেহানা-টিউলিপের রায় সোমবার খালেদা জিয়ার অসুস্থতার জন্য হাসিনা সরকার দায়ী: রাশেদ খান খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল, কিছুটা ভালোর দিকে: তথ্য উপদেষ্টা

ষোল মাসে কী অর্জন অন্তবর্তী সরকারের

Reporter Name
  • Update Time : Friday, November 14, 2025
  • 41 Time View

জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সাংবিধানিক সংশোধনীসমূহ সংবিধানভুক্ত করাও অনিশ্চিত। এ অবস্থায় আগামী দিনের রাজনীতি ক্ষমতাসীন ও তাদের অনুগামীদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে। ক্ষমতাসীনরা গত ষোলো মাসে যেসব সংস্কার, সংস্কারমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আগামীতে সেসব হারিয়ে যাওয়ার
শঙ্কাও রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের জন্য উদ্বেগজনক হলো, তারা দায়মুক্তি নাও পেতে পারেন। জামায়াতে ইসলামী চলতি নভেম্বরে গণভোট এবং তারপর জাতীয় নির্বাচন চেয়েছে। একসঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয় বলেই তারা মনে করে। জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠানের পক্ষে। অপরদিকে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি বিএনপির অবস্থান ভিন্নতর। তারা আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে। তবে প্রয়োজনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠানেরও বিপক্ষে নয় তারা। এমনই ত্রিশঙ্কু অবস্থায় ড. ইউনূস ও তার সরকারের পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণও সহজসাধ্য হচ্ছে না।
এ অবস্থায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টাদের অনিয়ম, দুর্নীতির বিচারের দাবি উপেক্ষিতই থেকে যাচ্ছে। বৈষম্যবিরোধীদের প্রধান দাবিই ছিল শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচারে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। তাদের দাবি যে নিতান্তই বিশেষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তা আর কারও কাছেই অস্পষ্ট নয়। শেখ হাসিনাকে হেলিকপ্টারে নয়াদিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিনি নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন। আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, এমপি, প্রভাবশালী সাড়ে ছয় শতাধিক নেতা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অবগতিতেই দেশের ভেতরে নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলেন। তাদের অধিকাংশ নিশ্চিন্তে দেশের বাইরে চলে যেতে পেরেছেন। তারা আছেন প্রতিবেশী ভারত, লন্ডন, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডায়।
বৈষম্যবিরোধীদের সংগঠন এনসিপি এবং তাদের প্রধান মিত্র জামায়াতে ইসলামীও অত্যন্ত রহস্যজনকভাবে সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী, এমপিদের বিচারের দাবি করছে না। জোরালো কোনো বক্তব্যও রাখছে না। তবে সরকার নামমাত্র কয়েকজনের বিচার-প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের চাপ ধামাচাপা দেওয়ার জন্যই এই লোক দেখানো প্রক্রিয়া বলে অনেকে মনে করেন। বাইরের চাপও রয়েছে বলে জানা যায়।
রাজনৈতিক মহলে এবং সাধারণভাবেও প্রশ্ন উঠেছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অর্জন নিয়ে। ষোলো মাস কম সময় নয়। এই সময়ে সরকার অভ্যন্তরীণ, আঞ্চলিক, আন্তর্জাতিক কোনো শক্তি, কোনো মহলের কোনো রকম বাধার সম্মুখীন হয়নি। অর্থনৈতিকভাবে তেমন কোনো প্রতিকূলতার মধ্যেও পড়তে হয়নি। অথচ আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক কোনো ক্ষেত্রেই উল্লেখ করার মতো অর্জন কি আছে এই সরকারের।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com