বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি পোশাক শিল্প। এ শিল্পে অর্ডার সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে বাংলাদেশ গার্মেন্ট অ্যান্ড বায়িং হাউজ অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ)। আগামী ১০ জানুয়ারি বিজিবিএর ২০২৫–২৬ সেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ভিশনারি অ্যালায়েন্সের উদ্যোগে জমকালো প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিজিবিএর বর্তমান সভাপতি ও ভিশনারি অ্যালায়েন্সের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন পাভেল, ভিশনারি অ্যালায়েন্সের প্যানেল লিডার ও সভাপতি প্রার্থী আবদুল হামিদ পিন্টু, ব্যবসায়ী নেতা কফিল উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট নেতারা বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, বিজিবিএর মোট ২১ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে পোশাক শিল্প খাতকে ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা, নতুন বাজার ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিজিবিএকে একটি ব্যবসাবান্ধব সংগঠন হিসেবে দেশ ও বিদেশে সুসংগঠিত করা এবং ব্যবসাবান্ধব নীতি নির্ধারণে সরকারকে সহায়তা করাই ভিশনারি অ্যালায়েন্সের মূল লক্ষ্য।
ভিশনারি অ্যালায়েন্সের নির্বাচনি ইশতেহার (২০২৬–২০২৮)
১. রেক্স-এর অনুমোদন নিয়ে প্রয়োজনীয় সব অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করা—যা ভিশনারি অ্যালায়েন্সের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
২. বর্তমান বিজিবিএ এক্সিকিউটিভ কমিটির অন্যতম সাফল্য অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স ১০ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে হ্রাসের ধারাবাহিকতায় অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স ৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।
৩. বিজিবিএ সদস্যদের জন্য এয়ারপোর্ট লাউঞ্জে প্রটোকল সার্ভিস নিশ্চিত করা এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সদস্যদের কাস্টমার অন অ্যারাইভাল সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা।
৪. বিজিবিএ সদস্যদের আর্থিক সহায়তা সহজ করতে এসএমই লোন সুবিধা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ।
৫. সব ধরনের ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে অন্যান্য ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে জয়েন্ট আরবিট্রেশন ব্যবস্থার উদ্যোগ গ্রহণ।
৬. বিজিবিএ সদস্যদের ফ্যাক্টরি ও কাস্টমার–সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার দ্রুত সমাধানে অধিকতর লিগ্যাল সাপোর্ট নিশ্চিত করা।
৭. বিজিবিএর নিজস্ব ভবনের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় জমি অধিগ্রহণ এবং ভবন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ।
৮. পাশ্চাত্যের আধুনিক ও সময়োপযোগী ফ্যাশন কাস্টমারদের সামনে উপস্থাপনের জন্য সদস্যদের ফ্যাশন ডিজাইন সাপোর্ট নিশ্চিত করা।
৯. বিজিবিএ সদস্যদের এক্সপোর্ট বৃদ্ধি করতে সরকারি নীতি সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ।
১০. সদস্যদের স্যাম্পল রিলিজ ও থ্রি কুরিয়ার খরচসংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ।
১১. ফ্যাক্টরির ন্যায় এফওসি সুবিধা নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল বোর্ড অব রেভিনিউয়ের সঙ্গে আলোচনা।
১২. বিজিবিএ সদস্যদের জন্য স্বল্পমূল্যে কুরিয়ার সেবা নিশ্চিত করতে ডিএইচএল, ইউপিএসসহ অন্যান্য কুরিয়ার কোম্পানি এবং কুরিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আলোচনা।
১৩. বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিজিবিএ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি আদায়ে সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা।
১৪. সদস্যদের সহজ অংশগ্রহণ ও বিপণন নিশ্চিত করতে দেশ ও বিদেশে আন্তর্জাতিক মেলার আয়োজন।
অনুষ্ঠান শেষে বিজিবিএর চলমান অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংহত করা এবং অসমাপ্ত উদ্যোগসমূহ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভিশনারি অ্যালায়েন্সের পূর্ণ প্যানেলের পক্ষে সমর্থন ও ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয় সদস্যদের প্রতি।
ভিশনারি অ্যালায়েন্স (ভিএ) প্যানেলের প্রার্থীরা
(ব্যালট নম্বর ০১–০৮)