দেশে মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকটের মধ্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি করতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) নীতিগত অনুমতি দিয়েছে সরকার। এখন সরকার শুধু আমদানি করবে। সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ বা বিতরণে সরাসরি অংশ নেবে না। এসব কার্যক্রম বেসরকারি অপারেটররাই চালাবে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, চীন ও কাতারকে এলপিজির সম্ভাব্য উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, বিপিসিকে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে আমদানি করা হবে। এতে বাজারে সরবরাহ বাড়বে ও দাম নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য, গত ১০ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিবকে চিঠি দিয়ে এলপিজি আমদানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল বিপিসি।
বিপিসির একজন পরিচালক জানিয়েছেন, যেসব দেশ থেকে কম দামে দ্রুত আমদানির সুযোগ থাকবে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। শিগগির আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে।
বর্তমানে দেশে এলপিজির তীব্র সংকট চলছে। সরকারি দাম নির্ধারিত ১২ কেজির সিলিন্ডার অনেক জায়গায় মিলছে না। এর ফলে বাজারে সিলিন্ডারের দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।