March 16, 2026, 5:17 am
Title :
ইরানে হামলাকে সমর্থন জানাল পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘র‌্যাগ ডে’ বন্ধে মাউশির কঠোর নির্দেশনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে ঝুপড়িমুক্ত হচ্ছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত তেহরান কখনোই যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার জন্য অনুরোধ করেনি: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি শহীদ মিনারে গুলিতে নিহত রাকিব ‘ফ্যামিলি এন্টারটেইনমেন্ট বিডি’র রাকিব নন, জানাল পরিবার তোমরা কি আমার আঙুল গুনতে চাও, প্রশ্ন নেতানিয়াহুর খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করতে আজ দিনাজপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে দাঁড়াতে পারেন সাদিক কায়েম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে ঝুপড়িমুক্ত হচ্ছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

Reporter Name
  • Update Time : Monday, March 16, 2026
  • 19 Time View
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনায় দীর্ঘ দুই দশক পর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টের বালিয়াড়ি থেকে ঝুপড়ি ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।

সৈকতের সৌন্দর্য রক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গত ১২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানের চার দিনে প্রায় ছয় শতাধিক অস্থায়ী দোকান ও অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সৈকতের বালিয়াড়িতে গড়ে ওঠা সব ধরনের স্থাপনাই অবৈধ। এসব অবৈধ স্থাপনা অপসারণে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পর্যায়ক্রমে পুরো সৈকত এলাকা ঝুপড়িমুক্ত করা হবে।

 

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বালিয়াড়ি দখল করে গড়ে ওঠা অসংখ্য ঝুপড়ি দোকান পর্যটন পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিল। এসব স্থাপনার কারণে সমুদ্রপাড়ের হোটেল–মোটেলের কক্ষে অবস্থান করা পর্যটকরাও অনেক সময় সাগর দেখতে পারতেন না। সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতেই প্রশাসনের এই উদ্যোগ বলে জানানো হয়েছে।

অভিযান শুরুর পর সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে স্বেচ্ছায় নিজেদের দোকান ও স্থাপনা সরিয়ে নেন।

তবে লাবণী ও কলাতলী পয়েন্টে এখনও কিছু স্থাপনা রয়ে গেছে। 

উচ্ছেদ অভিযানে দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মনজু বিন আফনান বলেন, পর্যায়ক্রমে এসব এলাকাতেও অভিযান চালিয়ে সব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে ফেলা হবে।

উচ্ছেদের কারণে কিছু ব্যবসায়ীর মধ্যে উদ্বেগও দেখা দিয়েছে। সুগন্ধা বিচ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা জেলা প্রশাসনকে রাজস্ব দিয়েই এখানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এক সাবেক জেলা প্রশাসক রাজস্ব গ্রহণ করে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। 

এ বিষয়ে কক্সবাজার-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সৈকতে উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সহযোগিতা করায় ব্যবসায়ীদের আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কক্সবাজার হচ্ছে দেশেবাসীর সম্পদ।

বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ বালুকাময় সৈকত হওয়ায় কক্সবাজার সৈকতের প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণ বরাবরই বেশি। তাই এই সৈকতকে জঞ্জালমুক্ত রাখতে হবে।’ 

জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, সৈকতের বালিয়াড়ি দখলমুক্ত করে পর্যটন এলাকার শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কক্সবাজারের নাজিরারটেক সৈকত থেকে টেকনাফ পর্যন্ত দীর্ঘ ১২০ কিলোমিটার সৈকতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে পর্যায়ক্রমে। প্রসঙ্গত গত ৯ মার্চ কক্সবাজার জেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এক সপ্তাহের মধ্যে সমুদ্র সৈকতের জঞ্জাল অপসারণ করার নিদ্দের্শনা দিয়েছিলেন।

জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিদ্দের্শনায় পুরো সৈকতের বালিয়াড়িতে স্থাপিত সমস্ত স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com