রবিবার (১৫ মার্চ) মাউশি থেকে আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে নির্দিষ্ট ছক অনুযায়ী এই প্রতিবেদন মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইংয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) মাউশি থেকে আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে নির্দিষ্ট ছক অনুযায়ী এই প্রতিবেদন মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইংয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।
মাউশির চিঠিতে জানানো হয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং ইভটিজিং ও র্যাগ ডের নামে বিশৃঙ্খলা বন্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছিল। এসব কার্যক্রম কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখন ই-মেইলের মাধ্যমে অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।
নির্দেশনায় আরো উল্লেখ করা হয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নির্মিত মাদকবিরোধী তথ্যচিত্র ও থিম সং প্রদর্শন এবং শিক্ষার্থীদের রাতের বেলা পড়াশোনায় মনোযোগী করার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজও তদারকি করা হবে। প্রতিবেদনের ছকে অঞ্চলের নাম, আওতাধীন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবং কত শতাংশ প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পেরেছে বা পারেনি, তার কারণ ও মন্তব্য বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করতে হবে।