July 2, 2026, 2:31 am

দেবিদ্বারে ক্লাস চলাকালে বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ খসে পড়ল ছাদের পলেস্তারা

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, April 23, 2026
  • 25 Time View

কুমিল্লার দে‌বিদ্বা‌রে ক্লাস চলাকালে একটি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে শ্রেণীকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা অল্পের জন্য রক্ষা পায়। ঘটনার পরপর শিক্ষার্থী‌দের ম‌ধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে শিক্ষার্থীদের দ্রুত শ্রেণিকক্ষ ত্যাগ করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার ৭১ নং গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, ১৯৩৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৬৮ সালে একটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। ইতিম‌ধ্যে ওই ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে গত কয়েক বছর ধরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও এলাকাবাসী নতুন ভবনের দাবি করে আস‌ছে।

গজারিয়া গ্রামের জুয়েল রানা নামে একজন অভিভাবক জানায়, দুপুরে হঠাৎ করে ওই ভবনের একটি অংশ বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তরা শ্রেণিকক্ষের ভেতরে ভেঙে পড়ে। ওই সময় শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থী ও একাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। ভাগ্যক্রমে এতে কেউ হতাহত হয়নি। ঘটনার পর পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আমরা দৌঁড়ে এসে আমাদের ছে‌লে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যাই। ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ আক্তার বলেন, ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রথম ক্লাস শেষ হওয়ার পর পর বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তারা শ্রেণিকক্ষের ভেতরে ভেঙে পড়ে। যে বেঞ্চের ওপর ভেঙে পড়ছে সে বেঞ্চে শিক্ষার্থী ছিল না। অল্পের জন্য সবাই রক্ষায় পায়। তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহে আমি এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ভেঙে ফেলার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট লিখিত আবেদন করেছি। এর আগেও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে নতুন ভবনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিকট ডিও লেটার দিয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, আমি কয়েকবার ওই স্কুলে পরিদর্শনে গিয়েছি। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আমি এটিকে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে এসেছি। কিন্তু ওখানে ক্লাস করানো ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। আজকে (বুধবার) দুপুরে শুনেছি, স্কুলের বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তরা খসে পড়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। আমি ওই স্কুলের নতুন ভবনের জন্য চাহিদাপত্রে এক নম্বর তালিকায় ওই স্কুলের নাম রেখেছি। এটি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গেও আমার আলাপ হয়েছে, ওই দ্রুত ওই ভবনটি ভেঙে নতুন করে ভবন নির্মাণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com