বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল হয়। মিছিলটি প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে ক্যাফেটেরিয়া পর্যন্ত যায়, পরে আবার ক্যাম্পাস গেট হয়ে উপাচার্যের বাসভবন প্রদক্ষিণ করে দক্ষিণ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল হয়। মিছিলটি প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে ক্যাফেটেরিয়া পর্যন্ত যায়, পরে আবার ক্যাম্পাস গেট হয়ে উপাচার্যের বাসভবন প্রদক্ষিণ করে দক্ষিণ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
এসময় তারা ‘জামায়াত-শিবির রাজাকার, জুলাই করল ছাড়খাড়’, ‘গুপ্ত গুপ্ত, জামায়াত শিবির গুপ্ত’, ‘গুপ্ত রাজনীতির দিন শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ’, ‘গুপ্ত যাদের অবস্থান তাদের বাড়ি পাকিস্তান’ বলে স্লোগান দেওয়া হয়।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে কুবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ‘আজকে জামায়াত-শিবিরের নোংরামির বিপক্ষে কুবি ছাত্রদলের মিছিলে যেসব নেতাকর্মী এবং সাধারণ শিক্ষার্থী এসেছেন সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নির্দেশনা মোতাবেক সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব কাজ করেছি এবং করব।
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বাংলাদেশের সৃষ্টিলগ্ন থেকে যত রাজনৈতিক দল এসেছে তাদের সবাইকে যদি প্রশ্ন করা হতো রাজাকার কারা? উত্তর একটা আসতো জামায়াত-শিবির। ৫ আগস্টের পরে এখন যদি সবাইকে জিজ্ঞেস করা হয় গুপ্ত কারা তাহলেও উত্তর আসবে জামায়াত-শিবির।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২১ এপ্রিল চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে গ্রাফিতিতে ‘ছাত্র শব্দ মুছে ‘গুপ্ত শব্দ লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।