বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে জামায়াতের আমীর: টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি
Reporter Name
Update Time :
Friday, July 10, 2026
21 Time View
বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে জামায়াতের আমীর: টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি
টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। পরিদর্শনকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম গুনাগরী জেলেপাড়া এলাকায় যান জামায়াতের আমীর। সেখানে তিনি সরাসরি বন্যাকবলিত মানুষের দুঃখ-দুর্দশা শোনেন এবং ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শন শেষে উপজেলার বানীগ্রাম কুইন্স ক্লাবে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “বাঁশখালীর মানুষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে আমি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। দেশের যেকোনো প্রান্তে মানবিক বিপর্যয়ের খবর পেলেই জামায়াতে...
টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। পরিদর্শনকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম গুনাগরী জেলেপাড়া এলাকায় যান জামায়াতের আমীর। সেখানে তিনি সরাসরি বন্যাকবলিত মানুষের দুঃখ-দুর্দশা শোনেন এবং ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শন শেষে উপজেলার বানীগ্রাম কুইন্স ক্লাবে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “বাঁশখালীর মানুষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে আমি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। দেশের যেকোনো প্রান্তে মানবিক বিপর্যয়ের খবর পেলেই জামায়াতে ইসলামী সর্বদা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে।”
তিনি আরও বলেন, “বাঁশখালীর মানুষের দীর্ঘমেয়াদি দুর্ভোগ লাঘবে এবং উপকূলীয় এলাকাকে রক্ষা করতে একটি টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই। আমি সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি যেন অনতিবিলম্বে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।”
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার নৈতিক দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক ও মানবিক সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় ও পরিদর্শনকালে কেন্দ্রীয়, স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—
কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমীর মো. নজরুল ইসলাম, মহানগর সহকারী সেক্রেটারি এস এম ফয়সাল মো. ইউনুস, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এস এম লৎফুর রহমান।
আঞ্চলিক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ: দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক, সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাসের, বাঁশখালী উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা ইসমাঈল ও সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আরিফ উল্লাহ।
স্থানীয় প্রশাসন: সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মাহমুদুল হাসান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওমর সানি আকন এবং বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক।
সভায় স্থানীয় জামায়াত ও শিবিরের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।