August 17, 2026, 4:44 am
Title :
আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কার্যকর তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর শিক্ষার্থী হেনস্থায় প্রভোস্টের পদত্যাগ ও সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি ছাত্রকে অবরুদ্ধ করে ‘ভয়ভীতি প্রদর্শন’, প্রভোস্ট বললেন ‘নাস্তা করিয়েছি’ তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলা যাবে না: হাইকোর্ট নরসিংদী জেল ভেঙে পালানো জঙ্গি জুয়েল বোমাসহ গ্রেফতার মুখে নয়, জনগণের সামনে দেয়া ওয়াদা পালন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডির গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে ছায়ানটের সংগীত শিক্ষা এক সপ্তাহে ডলারের দাম কমেছে ১ টাকার বেশি প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্যে বাংলাদেশ অন্যতম শ্রেষ্ঠ দেশ: সংস্কৃতিমন্ত্রী অফিসে সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ডিএসসিসি প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন

ডেঙ্গু: জুলাইয়ের ২৬ দিনেই জুনের দ্বিগুণ মৃত্যু, অর্ধেক ঢাকায়

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, July 26, 2026
  • 14 Time View

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মলচত্বরসহ নানা স্থানে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিকে ঘিরে উদ্বেগ দেখা গেছে; অনেকেই সেই পানি ডেঙ্গুৎসবীর প্রজননক্ষেতু হতে পারে কি না জানতে চেয়েছিলেন। বর্ষার এই মৌসুমে রাজধানী ও দেশের নানা অংশে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় জমে থাকা পানি এডিস মশার লার্ভা জন্মদানের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসের প্রথম ২৬ দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন 6,994 জন ডেঙ্গু আক্রান্ত, যেখানে জুনে ভর্তি ছিলেন 2,907 জন—এক মাসের ব্যবধানে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে।

মৃত্যুর চিত্রও উদ্বেগজনক: জুনে ডেঙ্গুয় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিল 13 জন, আর জুলাইয়ের ২৬ দিনে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে 25-এ; ফলে ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে 43-এ। বছরের শুরু থেকে মে পর্যন্ত কেবল 5 জন মারা গেলেও (জানুয়ারি 2, ফেব্রুয়ারি 2, মে 1) জুন ও জুলাইয়ে একসাথে 38 জনের মৃত্যু ঘটেছে। স্বাস্থ্য ও কীটতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ বছর প্লাস্টিক ড্রামে 23.98% এবং জলমগ্ন মেঝেতে 23.64% লার্ভা পাওয়া গেছে, যা 2019 সালের তুলনায় প্লাস্টিক ড্রামে যে হার ছিল 11.43% তার চেয়ে অনেক বেশি। মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা আরও সতর্ক করে বলছেন, ডেঙ্গুর নকল উপসর্গ বদলাচ্ছে এবং রোগীর অবস্থা এক-দুই দিনের মধ্যে মারাত্মক হতে পারে; জ্বর হলে ২–৩ দিনের মধ্যে NS1 অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করিয়ে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত দেশে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে 13 হাজারের কাছাকাছি, যার মধ্যে আক্রান্তের এলাকাভিত্তিক ঘোষণা অনুযায়ী—ঢাকা বিভাগ 4,844; বরিশাল 3,002; চট্টগ্রাম 2,270; খুলনা 1,684; ময়মনসিংহ 525; রাজশাহী 438; রংপুর 247 এবং সিলেট 88। মৃতের মধ্যে 22 জন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা; এর মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনেই মৃত্যু হয়েছে 21 জনের (উত্তরে 6, দক্ষিণে 15) এবং ঢাকার অন্যান্য অংশে 1 জন। বাকি মৃত্যুর মধ্যে খুলনায় 6, ময়মনসিংহে 5, চট্টগ্রামে 4, বরিশালে 4, রাজশাহী ও রংপুরে একজন করে মারা গেছে। মোট ভর্তি রোগীর মধ্যে 61.5% পুরুষ এবং 38.5% নারী; কিন্তু মৃত্যুর অনুপাতে নারীই বেশি—মোট 43 জনের মধ্যে 58.1% নারী ও 41.9% পুরুষ। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বর্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, এজন্য জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ, কার্যকর মশক নিয়ন্ত্রণ এবং সারাবছর ভিত্তিক কার্যক্রম জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com