দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এসএফএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারের বিরুদ্ধে গ্রাহক থেকে আনুমানিক ২২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রয়োজনীয় নথিপত্র তলব করেছে। দুদকের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমানের স্বাক্ষরিত চিঠি সোমবার (২৭ জুলাই) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ও নথি তালিকার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, এসএফএস ফাইন্যান্সের তৎকালীন এমডি প্রীতিশ কুমার সরকারসহ অন্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ যাচাইয়ে বিভিন্ন রেকর্ড পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তলবকৃত কাগজপত্রগুলোর মধ্যে আছে আব্দুল ওহাব অ্যান্ড কোং কর্তৃক প্রস্তুতকৃত অডিট প্রতিবেদন; উত্তরা প্রকল্পের জাহানারা গার্ডেনের ১৫৫৫ বর্গফুটের ফ্ল্যাট সংক্রান্ত সম্পূর্ণ কাগজপত্র—পারিশ্রমিক রসিদ, সেকশনভিত্তিক হিসাব, বিক্রয় চুক্তি, কেন রেজিস্ট্রেশন হয়নি তার কারণ ও পেমেন্ট গ্রহণকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়। এছাড়া ২০১৬-২০২০ সময়কালে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগৃহীত ২২ কোটি টাকা সংক্রান্ত সংগ্রহের প্রমাণপত্র এবং সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা নন করার সম্পর্কিত নথিও তলব করা হয়েছে।
চিঠিতে আর্থস্কোপ লিমিটেডের ঋণসংক্রান্ত সব কাগজপত্র—নির্ধারণ প্রতিবেদন, প্রস্তাব, ক্রেডিট ডিভিশন ও ক্রেডিট কমিটির সুপারিশ, পেমেন্ট লেটার ও ডিসবার্সমেন্ট লেটারসহ অন্যান্য নথি দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ায় এসব নথি আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে দুদক প্রধান কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে। দুদক ইতোমধ্যে পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাত ও অর্থপাচারের অভিযোগে ত্রিশটিরও বেশি মামলা করেছে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রীতিশ কুমার সরকার ২০১৮ সালে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।