কৃষ্ণসাগরসংলগ্ন ইউক্রেনের চরনোমোরস্ক বন্দরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে অন্তত ১৩ জন ভারতীয় নাবিক আটকে পড়েছেন বলে জানিয়েছে ফরোয়ার্ড সিমেন্স ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এফএসইউআই)। বুধবার (২৭ জুলাই নয়, ২৯ জুলাই) সংস্থাটি জানায়, এম.ভি. AMIR1 জাহাজে মোট ১৫ জন ক্রু অবস্থান করছে যার মধ্যে ১৩ জন ভারতীয়। তারা এই সংকটপূর্ণ এলাকায় ‘জীবনঘাতী’ পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং প্রতিটি মুহূর্তে হামলার ভয়ে আছেন।
এফএসইউআই বলছে, জাহাজটির আশপাশে বারবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হচ্ছে এবং নাবিকরা প্রতিনিয়ত সরাসরি আঘাতের আশঙ্কায় জীবন-জীবিকা নিয়ে সংকটের মধ্যেই দিনযাপন করছে। এই বিপজ্জনক অবস্থা তুলে ধরতে ইউনিয়ন একটি ভিডিওও শেয়ার করেছে যেখানে দেখা যায় বন্দরের ওপর ঘন ধোঁয়ার স্তূপ ছড়িয়েছে। তারা ভারতীয় সরকার, জাহাজের মালিক, পতাকাবাহী দেশের কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দ্রুত তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার (রিপ্যাট্রিয়েশন) ব্যবস্থা নেওয়ের অনুরোধ করেছে এবং জোর দিয়ে বলেছেন—সংঘাতময় এলাকায় ভারতীয় নাবিকদের বলির পাঁঠা হিসেবে রাখা যাবে না।
এফএসইউআইর এই দাবি সম্পর্কে এখনও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট শিপিং কোম্পানির কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এই খবরটির পটভূমিতে বলা হয়, কৃষ্ণসাগরে সাম্প্রতিক হামলায় ইতিমধ্যেই একটি বাণিজ্যিক জাহাজে গত সপ্তাহে এক ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন; ওই ঘটনার পর (২৭ জুলাই) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূত ওলেকসান্দর পোলিশচুককে তলব করে কঠোরভাবে প্রতিবাদ এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।