সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী রোববার (৯ আগস্ট) তার এই সফরকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। সফরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশ নেবেন এবং পরবর্তীতে ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কবর জিয়ারত করবেন। দিনের শেষভাগে হাটহাজারী কলেজ মাঠে পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের কথা রয়েছে তার।
রোববার সন্ধ্যায় নগরের র্যাডিসন ব্লু হোটেলে চট্টগ্রাম বিএনপির তিনটি সাংগঠনিক ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ কমিটির সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ সাংগঠনিক সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই সভায় প্রায় ৬০০ জন নেতা অংশ নেবেন। সাধারণত সীমিত পরিসরে বৈঠক হলেও এবার তৃণমূলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির সদস্যদের সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে, যা দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করবে বলে নেতারা মনে করছেন।
বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, দলের চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের চট্টগ্রামের এই সাংগঠনিক সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে তিনি দলের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে তিনি চট্টগ্রামে এলেও এবারের সফরটি সাংগঠনিক গুরুত্বের দিক থেকে ভিন্ন মাত্রার বলে দাবি করেছেন দলীয় নেতারা।