নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পর্নোগ্রাফি তৈরি ও তা অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক পরিবারের সদস্যসহ মোট পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে চৌমুহনী পৌরসভার কিসমত করিমপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে এবং আটকে রাখা চার তরুণীকে উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সালাউদ্দিন বিপ্লব, তার স্ত্রী পারভিন আক্তার, দুই ছেলে ফাহাদ হাসান ও আরাফাত ইয়াসিন ফাহিম এবং তাদের সহযোগী আব্দুর রহিম রয়েছেন। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ভুক্তভোগী এক তরুণীর কল পেয়ে পুলিশ এই অভিযান চালায়। ঘটনাস্থল থেকে ভিডিও ধারণের সরঞ্জাম, মোবাইল ফোন, ধারালো অস্ত্র ও নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পার্লারে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের ওই বাসায় আটকে রেখে জোরপূর্বক পর্নোগ্রাফি ভিডিও ধারণ করা হতো এবং অনলাইনে প্রচার করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হতো।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিদের কারাগারে পাঠানোর পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া তরুণীদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালীর ওই আবাসিক ভবনে অবস্থান করে এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে।