মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে পুনরায় ‘বাঙালি’ হিসেবে অভিহিত করেছে। দেশটির দাবি, শুধুমাত্র রাখাইনের বৈধ বাসিন্দা হিসেবে যাদের পরিচয় নিশ্চিত হবে, তাদেরকেই প্রত্যাবাসনের জন্য বিবেচনা করা হবে। বাস্তুচ্যুত এই জনগোষ্ঠীর জাতিগত পরিচয়কে অস্বীকার করার মাধ্যমে মিয়ানমার তাদের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থানের দাবিকে আরও একবার প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাল।
বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমার প্রশাসনের এই অবস্থান রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। দশকের পর দশক ধরে এই জনগোষ্ঠীর ওপর চালানো দমন-পীড়ন এবং তাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করার নীতি যে এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে, এই বিবৃতির মাধ্যমে তা স্পষ্ট হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের চাপ থাকা সত্ত্বেও মিয়ানমারের এমন রক্ষণশীল অবস্থান সংকট সমাধানের পথকে দীর্ঘায়িত করছে।