আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে কার্যকর তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, কোনো সংগঠনকে আইনের ভাষায় ‘জ্যুরিস্টিক পারসন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে অপরাধ প্রমাণিত হলে সংগঠনের কারাদণ্ড না হলেও আর্থিক জরিমানা, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত কিংবা সংগঠন নিষিদ্ধ করার মতো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং দণ্ডাদেশের প্রসঙ্গ টেনে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ব্যক্তিগত অপরাধের পাশাপাশি সাংগঠনিকভাবে সংঘটিত অপরাধের দায়ও আইন অনুযায়ী বিচার করা হবে। বর্তমানে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট যেসব সম্পত্তি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে, সেগুলো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঠেকাতে সরকারের তত্ত্বাবধানে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। মামলার তদন্ত কাজ সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলছে এবং বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় ও গভীর পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি।