October 1, 2026, 3:59 pm
Title :
ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পরও কূটনীতির পক্ষে ইরান প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক আনুগত্য নয়, মেধাকে গুরুত্ব দিন: ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর হাফেজদের ‘নেক্সাস’ উপহার! নেপথ্যে কারা? পটুয়াখালীতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত দর্জি থেকে ফ্রিল্যান্সার, প্রশিক্ষণ থেকে উদ্যোক্তা—তরুণদের সাফল্যের অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে ব্যুরো বাংলাদেশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৯০ হাজার টাকা শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিরা ট্রাইব্যুনালে

বিচারকদের আবাসন সংকট নিরসনে বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, September 5, 2026
  • 45 Time View

দেশের ৬৪টি জেলা এবং আটটি মহানগরে কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট দূর করতে একটি আধুনিক বহুতল আবাসিক কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। স্থান ও চাহিদার ওপর ভিত্তি করে এই বহুতল ভবনগুলো ১০ থেকে ১৫ তলা বিশিষ্ট করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিচারকদের নিরাপদ ও স্থায়ী আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের কর্মপরিবেশ আরও উন্নত করার বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলো।

সম্প্রতি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিশেষ চিঠিতে দেশের সকল জেলা ও দায়রা জজদের এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা ওই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিচারকদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণের উপযোগী জমি চিহ্নিত করে তার স্থানিক নকশা দ্রুত পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করা হয়। এছাড়া নির্বাচিত স্থানগুলোর ডিজিটাল সার্ভে সম্পন্ন করার পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তার জন্য গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীদেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে প্রায় প্রতিটি জেলাই দেওয়ানি, ফৌজদারি আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালে অন্তত ত্রিশ থেকে পঞ্চাশজন বিচারক দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু হাতে গোনা কয়েকটি জেলা বাদে প্রায় সর্বত্রই বিচারকদের জন্য পর্যাপ্ত সরকারি বাসস্থানের অভাব রয়েছে, যার ফলে তাদের বাধ্য হয়েই ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনায় ভাড়া বাসায় থাকতে হয়। স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে ভাড়া বাসায় বসবাস করা বিচারক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সামগ্রিক নিরাপত্তার জন্য বড় ধরণের ঝুঁকি তৈরি করছে বলে চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সরকার মনে করছে, জেলা জজশিপের অধীন যেসব খালি জমি পড়ে রয়েছে সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এই আবাসন সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে। একক বা সমন্বিত এই আবাসিক কমপ্লেক্সগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা, সুনির্দিষ্ট প্রবেশপথ এবং সার্বক্ষণিক সশস্ত্র পুলিশি নিরাপত্তা রাখা সহজ হবে, যা বিচারকদের কাজের নিরাপত্তাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। বর্তমান সংকট দূর করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিচারক সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও যাতে আবাসন নিয়ে কোনো সমস্যা না হয়, সে বিষয়টিও এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে জেলা ও দায়রা জজদের আদালত প্রাঙ্গণ, পুরোনো কোর্ট কিংবা মুন্সেফ কোর্ট চত্বরে খালি জায়গার বিবরণ ও নকশা পাঠাতে বলা হয়েছে। যদি সংশ্লিষ্ট আদালত প্রাঙ্গণে পর্যাপ্ত জায়গা না পাওয়া যায়, তবে আদালত ভবনের এক কিলোমিটারের মধ্যে জমি অধিগ্রহণ করার মতো উপযুক্ত জায়গার প্রস্তাব দিতেও অনুরোধ করা হয়েছে। ‘৬৪ জেলা এবং ৮টি মহানগরের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ’ শীর্ষক এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন বিচারকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com