October 1, 2026, 12:00 pm
Title :
ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পরও কূটনীতির পক্ষে ইরান প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক আনুগত্য নয়, মেধাকে গুরুত্ব দিন: ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর হাফেজদের ‘নেক্সাস’ উপহার! নেপথ্যে কারা? পটুয়াখালীতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত দর্জি থেকে ফ্রিল্যান্সার, প্রশিক্ষণ থেকে উদ্যোক্তা—তরুণদের সাফল্যের অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে ব্যুরো বাংলাদেশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৯০ হাজার টাকা শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিরা ট্রাইব্যুনালে

হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য, ক্রসফায়ারে জড়িত ২ এএসআই

Reporter Name
  • Update Time : Monday, September 7, 2026
  • 48 Time View

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে নিজেদের জবানবন্দি পেশ করেছেন পুলিশ কনস্টেবল মো. সহিদুল ইসলাম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারিক প্যানেলে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ জবানবন্দি প্রদান করেন। আদালতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি হত্যাকাণ্ডের দিন ও এর পরবর্তী সময়ে শোনা নানা চাঞ্চল্যকর তথ্যের বিবরণ তুলে ধরেন।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সাক্ষী সহিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন যে, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতের বেলা গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস এলাকায় টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা নামের দুই রাজনৈতিক কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। নিহত টিপু হাওলাদার আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং কবির মোল্লা একই উপজেলার জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকতে না পেরে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমেই ওই দুই নেতাকে হত্যার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে সাক্ষী জানান যে, হত্যাকাণ্ডের ওই সময়টিতে তিনি বরিশাল জেলা পুলিশ লাইনের মোটরযান শাখায় কর্মরত ছিলেন এবং এর আগে উজিরপুর থানায় ড্রাইভার কনস্টেবল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। অফিসসূত্রে এবং থানার সহকর্মীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছিলেন যে, আগৈলঝাড়া থানা এলাকার স্থানীয় পুলিশ সদস্যরা ওই ‘ক্রসফায়ার’ বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে অংশ নিতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে স্থানীয় থানার অনিচ্ছার কারণে উজিরপুর থানা থেকে বিশেষভাবে দুই জন সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) সেখানে নিয়ে আসা হয় এবং তাদের মাধ্যমেই মূলত হত্যাকাণ্ডটি বাস্তবায়ন করা হয়।

এই মামলার প্রধান অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, তৎকালীন পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার দুই সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন। অভিযুক্ত আসামিদের মধ্যে এএসআই মাহাবুল ও জসিম বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার রয়েছেন। সাক্ষ্য প্রদানকারী কনস্টেবল সহিদুল ইসলাম আদালতকে নিশ্চিত করেছেন যে, উজিরপুর থেকে আনা সেই দুই এএসআই হলেন এই মাহাবুল ও জসিম উদ্দিন। বিচারিক এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর এই হত্যার পেছনের নেপথ্য কারিগর ও অংশগ্রহণকারীদের ভূমিকা ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com