October 1, 2026, 2:29 pm
Title :
ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পরও কূটনীতির পক্ষে ইরান প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক আনুগত্য নয়, মেধাকে গুরুত্ব দিন: ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর হাফেজদের ‘নেক্সাস’ উপহার! নেপথ্যে কারা? পটুয়াখালীতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত দর্জি থেকে ফ্রিল্যান্সার, প্রশিক্ষণ থেকে উদ্যোক্তা—তরুণদের সাফল্যের অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে ব্যুরো বাংলাদেশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৯০ হাজার টাকা শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিরা ট্রাইব্যুনালে

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘন তদন্ত করতে পারবে কমিশন

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, November 11, 2025
  • 265 Time View

দেশের কোথাও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থা বা যে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য সন্দেহভাজন মনে হলে তা তদন্ত করার ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ‘উপরের নির্দেশ’ বলে অপরাধের দায়মুক্তি পাবেন না সরকারি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য।

কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই গোপন ‘আয়নাঘর’ (আটককেন্দ্র) বা যে কোনো আটককেন্দ্র পরিদর্শন করতে পারবেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এসব বিধান রেখে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর চূড়ান্ত গেজেট জারি করেছে সরকার।

রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর রোববার রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ শাখা থেকে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, অধ্যাদেশটি বিদ্যমান ২০০৯ সালের আইন প্রতিস্থাপন করবে। কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ স্বাধীন সংস্থা হবে। এটি সরকারের কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অধীন হবে না।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার লক্ষ্যে গত ৩০ অক্টোবর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

সরকারি বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশে বা নির্দেশে করা হয়েছে– এমন অজুহাতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় হতে রেহাই বা মুক্তি পাওয়া যাবে না। লিখিত অভিযোগ ছাড়াও গণমাধ্যমে প্রচারিত বা প্রকাশিত প্রতিবেদন বা যে কোনো মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কিত তথ্যের ভিত্তিতে কমিশন ঘটনা তদন্ত করতে পারবে।

কমিশনের অনুসন্ধান চলাকালে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীন কমিশন ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে কোনো আইনানুগ অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ বা নির্দেশ দিতে পারবে। আটক কেন্দ্র পরিদর্শন ও তদন্তের ক্ষমতার বিষয়ে বলা হয়েছে, কমিশনের তদন্ত কর্মকর্তার ‘কোড অব সিভিল প্রসিডিউর’-এর অধীন দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা থাকবে।

তদন্ত কর্মকর্তা কোনো রাষ্ট্রীয় বা সরকারি প্রতিষ্ঠান বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর যে কোনো পর্যায়ের কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন বা তথ্যপ্রমাণ তলব করতে পারবেন। তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা দিতে হবে। অন্য আইনে যাই থাক না কেন, কমিশন তার কার্যাবলি সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে যে কোনো সময় যে কোনো স্থান পরিদর্শন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ওই স্থান নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের পূর্বানুমতি বা অবহিত করার প্রয়োজন হবে না। কমিশন তদন্তের স্বার্থে সাধারণ জনগণ বা যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বা সম্পৃক্ততার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

অধ্যাদেশকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি

গতকাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই অধ্যাদেশকে ‘সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুস্মিতা পাইক ও মহাসচিব মোহাম্মদ তৌহিদ খান বিবৃতিতে উল্লেখ করেন এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে মানবাধিকার কমিশনের আরও শক্তিশালী ও কার্যকর ভূমিকা পালনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com