December 1, 2025, 5:49 am
Title :
‘সমুদ্রে অবৈধ ও অতিরিক্ত মৎস্য আহরণে মাছের সংস্থান কমে যাচ্ছে’ দেশের ৩৩ শতাংশ মানুষ রোগাক্রান্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের একমাত্র সমাধান: পোপ লিও সশস্ত্র বাহিনীর বঞ্চিত সদস্যদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা বেলুচিস্তানে এফসি সদর দপ্তরে হামলা, পাল্টা হামলায় ৩ সন্ত্রাসী নিহত হঠাৎ পাল্টে গেলো বাংলালিংকের লোগো, সামাজিকমাধ্যমে চলছে আলোচনা কক্সবাজারে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা এবং কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার রেহানা-টিউলিপের রায় সোমবার খালেদা জিয়ার অসুস্থতার জন্য হাসিনা সরকার দায়ী: রাশেদ খান খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল, কিছুটা ভালোর দিকে: তথ্য উপদেষ্টা

২০০ বছরের রীতি ভাঙল যুক্তরাষ্ট্র, আর তৈরি হবে না এক সেন্টের কয়েন

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, November 13, 2025
  • 20 Time View

ব্যয় কমানো ও ডিজিটাল লেনদেনের যুগে তাল মেলাত এক সেন্টের মুদ্রা ‘পেনি’ উৎপাদন বন্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। অবশ্য উৎপাদন বন্ধ হলেও মুদ্রাগুলো কার্যকর থাকবে।

বুধবার (১২ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, দুই শতাব্দীরও বেশি সময়ের ঐতিহ্য ভেঙে এক সেন্টের মুদ্রা (পেনি) তৈরি বন্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় বুধবার ফিলাডেলফিয়া মিন্টে এই মুদ্রার শেষ ব্যাচের কয়েন তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে ১৭৯৩ সাল থেকে টানা ২৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা পেনি উৎপাদনের ইতি টানবে।

তবে মুদ্রাগুলো প্রচলনে থাকবে। কিন্তু নতুন করে উৎপাদন বন্ধের ঘোষণার পর থেকেই অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দাম সমন্বয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে, কারণ বাজারে এখন পেনি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপে ব্যয় সাশ্রয় হবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে পরিকল্পনাটি ঘোষণা করে বলেছিলেন, ‘আমাদের মহান দেশের বাজেট থেকে অপচয় বাদ দিতে হবে— এটা যদি এক পেনিও হয়।’

বিবিসি বলছে, তামা-প্লেটেড জিঙ্ক দিয়ে তৈরি ও গৃহযুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের প্রতিকৃতি সংবলিত পেনি এখন তৈরি করতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৪ সেন্ট, যা এক দশক আগের তুলনায় দ্বিগুণ। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ বলছে, উৎপাদন বন্ধ করলে প্রতিবছর প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে।

দপ্তরটির মতে, ডিজিটাল লেনদেন বৃদ্ধির ফলে এক সেন্ট মুদ্রার ব্যবহার ধীরে ধীরে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। ১৭৯৩ সালে প্রথম চালু হওয়া এই কয়েন এখন বাজারে এত বেশি পরিমাণে আছে — প্রায় ৩০০ বিলিয়ন — যা বাণিজ্যিক কারণে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি।

সরকারি এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে চলমান কয়েনের প্রায় ৬০ শতাংশই ব্যবহারহীন অবস্থায় ঘরে জমা পড়ে থাকে— প্রতি পরিবারে গড়ে ৬০ থেকে ৯০ ডলারের মতো।

তবে এই সিদ্ধান্ত ভোক্তাদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো যখন পণ্যের দাম কিছুটা বাড়িয়ে রাউন্ড ফিগারে বা পূর্ণ সংখ্যায় সমন্বয় করবে, তখন ক্রেতাদের বার্ষিক অতিরিক্ত খরচ পড়বে প্রায় ৬ মিলিয়ন ডলার। রিচমন্ড ফেডারেল রিজার্ভের এক গবেষণায় একথা বলা হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে এখন নজর পড়েছে পাঁচ সেন্ট মূল্যের নিকেল মুদ্রার দিকে। এর উৎপাদন খরচ প্রায় ১৪ সেন্ট— অর্থাৎ মূল্যমানের প্রায় তিন গুণ বেশি খরচ হচ্ছে। রিচমন্ড ফেডের হিসাব অনুযায়ী, এটিও বন্ধ করা হলে ভোক্তাদের বার্ষিক বাড়তি ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ডলার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com