ডায়নার পুত্রবধূ কেট মিডলটন (৪৩)-যার রূপে এক কথায় মুগ্ধ হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (৭৯)। যুক্তরাজ্য সফরে এসে কেটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন তিনি।
বুধবার উইন্সসর ক্যাসেলে স্বামী প্রিন্স উইলিয়ামের সামনেই কেটের স্তুতি করেন ট্রাম্প। কেটের সঙ্গে করমর্দনের সময় বলেন-‘আপনি সুন্দরী, খুব সুন্দরী।’ রাতের নৈশভোজ শুরুর আগের বক্তব্যেও প্রিন্সেস অব ওয়েলসকে (কেট) ‘দীপ্তিময়, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ও সুন্দরী’ বলে আখ্যা দেন ট্রাম্প।
এক সময় প্রিন্সেস ডায়নাকেও প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প এমনকি প্রেমপত্রও লিখেছিলেন ।
ডায়ানার মৃত্যুর কিছুদিন পর ১৯৯৭ সালে বিতর্কিত রেডিও জকি হাওয়ার্ড স্টার্নের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি চাইলে প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে পারতেন। তবে ২০১৬ সালে তিনি ডায়ানার সঙ্গে কোনো রোমান্টিক সম্পর্কের আগ্রহের কথা অস্বীকার করেন। ট্রাম্প বলেন, তিনি কেবল ডায়ানাকে ‘সুন্দরী’ মনে করতেন।
তবে বিবিসির সাবেক উপস্থাপক সেলিনা স্কটের মতে, ১৯৯৬ সালে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে ডেট করার চেষ্টা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তাকে ‘শ্রেষ্ঠ ট্রফি স্ত্রী’ (যে স্ত্রী স্বামীর মর্যাদার প্রতীক) হিসেবে দেখতেন।
স্কট ‘দ্য সানডে টাইমস’ পত্রিকায় লিখেছিলেন, ডায়ানা তাকে বলেছিলেন, ট্রাম্পকে দেখে তার ‘গা শিরশির করত’। তার অ্যাপার্টমেন্টে ক্রমাগত গোলাপ ও অর্কিড আসতে থাকলে তিনি বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন।
রাজপরিবারের অন্য নারীদের সম্পর্কেও ট্রাম্পের মন্তব্যগুলো ছিল আরও বির্তকিত এবং সমালোচনাপূর্ণ।
ডায়নার সাজে কেট
মাথায় হীরার মুকুট। গায়ে জড়ানো গোল্ডেন রঙের গাউন। গাউনজুড়ে ছিল হাতে কাজের নিখুঁত নকশা। হালকা সাজে দ্যূতি ছড়িয়েছেন ব্রিটিশ রাজ পরিবারের রানি কেট মিডলটন। সাজ দেখেই চমকে উঠেছেন প্রিন্সেস ডায়ানার ভক্তরা। কেননা মাথার এই মুকুট প্রিন্সেস ডায়ানার খুবই প্রিয় ছিল।
তিনি বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে মুকুটটি পরেছিলেন। শাশুড়ির কাছ থেকেই কেট ওই অলংকার পেয়েছেন। কেট নিজেও এর আগে একাধিক অনুষ্ঠানে এই মুকুট পরেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্মানে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের আয়োজন করেছিল নৈশভোজ।
সেখানে কেটের আসন ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ডান পাশে। ট্রাম্পের বাঁ পাশে বসেছিলেন রাজা তৃতীয় চার্লস। পরদিন সফরের শেষদিনে (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় সময় সাড়ে তিনটার দিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সেখানে ট্রাম্প বলেন, তার এই সফরে দুদেশের মধ্যে ৩৫০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয়েছে। এ সময় পুতিন তাকে হতাশ করেছে বলেও সাংবাদিকদের বলেন ট্রাম্প।