রুশ বাহিনী ইউক্রেনের একটি প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনা, ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর জন্য ব্যবহৃত জ্বালানি ও পরিবহন কেন্দ্র এবং ইউক্রেনীয় সেনা সদস্য ও বিদেশি ভাড়াটে যোদ্ধাদের অস্থায়ী আবাসনে হামলা চালিয়েছে। গতকাল এক বিবৃতিতে
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেছেন, সুযোগ পেলে তিনি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে রাশিয়া থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে যুদ্ধাপরাধের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতেন। শুক্রবার এক দিনের সফরে কিয়েভে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক করার পর এবার কিউবাকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই হুমকি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল। তিনি সাফ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার জন্য যে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স বা আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা করেছেন তার অংশ হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। জবাবে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারাও
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকিকে ভালোভাবে নেয়নি ইউরোপ। ইউরোপের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থার কথা সরাসরি না উঠলেও নেতারা আলোচনার জন্য বৈঠক ডেকেছেন। তবে ডেনমার্ক সরাসরি পাল্টা
ইরানে চলমান সরকার বিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে সরব হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্দোলনের ১৪তম দিনে শনিবার (১০ জানুয়ারি) সামাজিকমাধ্যম ট্রুথে একটি পোস্ট করেছেন ট্রাম্প। এতে তিনি দাবি করেছেন, ইরান স্বাধীনতা
ভয়াবহ শক্তিশালী ঝড় ‘স্টর্ম গরেট্টি’-র (Storm Goretti) প্রলয়ংকরী তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে ব্রিটেনের বিস্তীর্ণ জনপদ। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল থেকে শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলা এই ঝড়ে
তেহরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ইতিহাসের সর্বোচ্চ সতর্কতায় নিয়ে গেছেন। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের অপারেশন রাইজিং
দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ও তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভ দিন দিন আরও সহিংস ও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। টানা ১৩ দিন ধরে চলা এই আন্দোলন দমনে সরকারের কঠোর
পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের হলদিয়া বন্দরে একটি নতুন নৌঘাঁটি স্থাপন করতে যাচ্ছে ভারতীয় নৌবাহিনী। মূলত বঙ্গোপসাগরের উত্তর অংশে চীনের নৌ তৎপরতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মুখে কৌশলগত অবস্থান মজবুত করার