আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতেই সামাজিক মাধ্যমে সরব হলেন স্পেনের কিংবদন্তি গোলকিপার ইকার ক্যাসিয়াস। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে লিওনেল মেসিদের ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার পর একের পর এক মন্তব্যে স্পেনের প্রতি নিজের
বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াই জমে উঠেছে শেষ মুহূর্তে। সেমিফাইনালে গোল না করেও অসাধারণ পারফরম্যান্সে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে উঠে গেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত
বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল মানেই বাড়তি উত্তেজনা, স্নায়ুর লড়াই। কিন্তু আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার রোমাঞ্চকর সেমিফাইনালটি রূপ নিয়েছিল রীতিমতো এক রণক্ষেত্রে। বিশেষ করে প্রথমার্ধে মাঠের ফুটবল ছাপিয়ে আলোচনায় ছিল দুই দলের
তিনি প্রথমবার যখন বিশ্বকাপে পা রাখছেন, সেবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা গিয়েছিল মোটামুটি ছয়জন ‘নতুন ম্যারাডোনা’ নিয়ে— রিকেলমে, তেভেজ, স্যাভিওলা, আইমার, ক্রেসপো এবং একটা পিচ্চি- নাম তার লিওনেল মেসি। খোদ দিয়েগো আরমান্দো
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল জয়ের পর একটি পতাকা নিয়ে বিপাকে পড়েছে আর্জেন্টিনা। এই পতাকার কারণে দলটির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে ফিফা। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে নাটকীয় জয়ের পর মাঠে হাজির হন
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে আবার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। আটলান্টায় মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে লিওনেল মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে গোল করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
কামব্যাকের কোন গল্প নই, মহাকাব্য লিখতে বসেছে আর্জেন্টিনা। নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচে কামব্যাক করে জয়ের হাসি হেসেছেন লিওনেল মেসিরা। ফাইনালের লড়াইয়েও শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়ে আলবিসেলেস্তেরা। শেষ মুহূর্তে
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচটি হবে আটলান্টা স্টেডিয়ামে। রাত ১টায় শুরু হবে এই খেলা। কোচ লিওনেল স্কালোনি একাদশ ঠিক করে ফেলেছেন। এই একাদশে একটি চমক আছে। রদ্রিগো দে
স্পোর্টস ডেস্ক: বিসিবি সভাপতি হতে না হতেই আইসিসিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন তামিম ইকবাল। এই কিংবদন্তিকে একটি কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এখন থেকে বিসিবির পাশাপাশি আইসিসির ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগস কমিটিকেও নেতৃত্ব দেবেন
গোল্ডেন গ্লাভস হলো বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষককে দেওয়া পুরস্কার। নকআউট পর্বের ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে করা সেভ এবং টুর্নামেন্টের শেষ মুহূর্তের অসাধারণ পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে এ দৌড়ে এগিয়ে থাকেন গোলরক্ষকরা। ফিফা