মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার হরমুজ প্রণালি সুরক্ষিত করতে সামরিক বাহিনী পাঠাতে ন্যাটো মিত্রদের অস্বীকৃতির বিষয়ে হতাশা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, ভবিষ্যতে অনুরোধ করা হলেও ওয়াশিংটন হয়তো ন্যাটোর পাশে
ইরান দাবি করেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রকে তেহরানে হামলা চালাতে সহায়তা করছে। ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও সৌদি আরব তাদের ভূখণ্ড ও
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান; যা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ অস্বীকার করে। মেজর জিয়াউর রহমান যে প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এটা
হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ৩টি জাহাজকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। শুক্রবার (২৭ র্মাচ) সকালে জাহাজগুলোকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানায় আইআরজিসি। আইআরজিসির এক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পর কিউবা হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী লক্ষ্য। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত একটি বিনিয়োগ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে সাম্প্রতিক ভেনেজুয়েলা ও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এবং তেলের বিশ্ববাজারের অন্যতম প্রধান পথ হরমুজ প্রণালীকে ‘ট্রাম্প প্রণালী’ বলে অভিহিত করেছেন। রসিকতা করে ট্রাম্প বলেন, ‘‘ইরানকে অবশ্যই ‘ট্রাম্প প্রণালী’
এবার নিজেকে একজন ‘শান্তির দূত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন তাকে একজন শান্তিস্থাপক হিসেবে মনে রাখে, সেটাই তার একান্ত ইচ্ছা। তবে শান্তির এই
ব্রিটিশ বিমানবাহী দুটি রণতরীকে ‘খেলনা’ বলে কটাক্ষ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে সাহায্যের জন্য ব্রিটেনের দুটি ‘খেলনা বিমানবাহী রণতরী’ আমাদের প্রয়োজন নেই।’’ ইরান যুদ্ধকে ঘিরে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত
ইরানে আগ্রাসন চালানোর কাজে অংশ নিলে—এর ফল যেকোনো দেশের জন্য ‘বুমেরাং’ হবে; অর্থ্যাৎ ইরানের পাল্টা হামলার মুখে পড়তেই হবে। এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা