ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নিহত হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এই আঘাত মধ্যপ্রাচ্যকে নতুন অস্থিরতার মুখে ঠেলে দিয়েছে। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলেই আশঙ্কা।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর। নগরবাসীকে ইরানের পতাকা নিয়ে মিছিল করতে দেখা গেছে। এ সময় তাদের ‘নো ওয়্যার ইন মিডল ইস্ট’ লেখা প্লাকার্ড
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এ শোক জানান। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির এক মুখপাত্র বলেছেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ২৪টি প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি আরও জানান, ইরানে চালানো হামলায় ২০১ জন নিহত এবং ৭৪৭ জন আহত হয়েছেন।
ইসরায়েল ও আমেরিকার যৌথ উদ্যোগে ইরানের ওপর যে হামলা চালানো হয়েছে এর পরিকল্পনা করা হয়েছিল কয়েকমাস আগে। এ দাবি, দ্যা গার্ডিয়ানের কুটনৈতিক সম্পাদক প্যাট্রিক উইন্টুরের । ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের চলতি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পরোক্ষ দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি এখন সরকার পতনের জন্য সাধারণ মানুষকে রাজপথে নেমে আসার
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে গতকাল শনিবার মিসাইল ছুড়েছে ইরান। এ হামলার তথ্য নিশ্চিত করে দেশটি পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে। সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “রিয়াদ এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলো লক্ষ্য
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইসলামী বিশ্বের কাছে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার প্রতিরোধে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এরদোয়ান বলেছেন, তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠা ও পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফেরার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা
চরম উত্তেজনাকর আবহে আবারও পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়ে পড়েছে ইরান ও ইসরাইল। সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইসরাইলকে লক্ষ্য করে নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। এর আগে ইসরাইল দাবি করে, তারা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান হামলার পরিপ্রেক্ষিতে তেহরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) হামলা চালিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরানকে জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটি। ইউএই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ