রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে ইউক্রেনের ২০টি ড্রোন ধ্বংস করেছে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২ অক্টোবর রাত ১১টা
গাজা যুদ্ধের অবসান এবং বিধ্বস্ত ওই অঞ্চল পুনর্গঠনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি প্রস্তাব দিয়েছেন। সেটি মেনেও নিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে জাতীর উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে ঘণ্টাখানেক পরই বোল
গাজা সিটিজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনী ঘোষণা দিয়েছে— এটাই পালানোর শেষ সুযোগ। আর তাই দিনের পর দিন আগ্রাসন সহ্য করার পর, অবশেষে শহর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন সেখানে থেকে যাওয়া বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার (২
মা ইলিশ এবং জাটকা সংরক্ষণের স্বার্থে শনিবার (৪ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে আগামী ২৫ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত মোট ২২ দিনের জন্য মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। লক্ষ্মীপুরের
‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে, অবরুদ্ধ গাজার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া ত্রাণবাহী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র ৪৪৩ জন স্বেচ্ছাসেবীকে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে বেআইনিভাবে আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। আটক ব্যক্তিরা বিশ্বের ৪৭টি
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তা এবং থারাল্লাহ ঘাঁটির উপ-প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন নেজাত বলেছেন, ‘ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধকালীন সময়ের তুলনায় এখন ইরানের আক্রমণ ক্ষমতা ১০ গুণেরও
ফিলিস্তিনের গাজা অভিমুখে ত্রাণ নিয়ে যাত্রা করা গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার বহরে থাকা অধিকারকর্মীদের আটকের পর উচ্চ-নিরাপত্তার ‘কেটজিওট’ কারাগারে রাখতে পারে ইসরায়েল। এই কারাগারটি ‘কঠোর’ ব্যবস্থার জন্য পরিচিত। বৃহস্পতিবার (২
গাজার জনগণের জন্য ত্রাণ সহায়তা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নৌবহরে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ মানবাধিকারকর্মী ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ রুহি লোরেন আখতার অংশ নিয়েছেন। তার সংস্থাটির পূর্ণ নাম ‘রিফিউজি বিরিয়ানি
গাজা উপত্যকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি নৌবাহিনী। অন্তত ৩১৭ জন কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আয়োজকরা। ইসরাইল জানিয়েছে, গাজাগামী ত্রাণবাহী ৪৪টি জাহাজের মধ্যে একটি
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলের নৌ অবরোধ ভাঙা এবং গাজার ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রায় ৪৫টি জাহাজে করে গাজার দিকে রওনা দিয়েছিলেন ৫০০ অধিকারকর্মী। তবে তাদের গাজায়