রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২-এ পৌঁছেছে দুটি বুলডোজার। এক দল তরুণ এগুলোর সঙ্গে আছেন। পরিচয় জানতে চাইলে তারা জানান, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা এখানে আছে। ফেসবুকে ঘোষিত ‘বুলডোজার মিছিল’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির ফাঁসির দাবি নিয়ে আজ সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনালের সামনে জড়ো হয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাইতে আহত
বেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার রায় ঘোষণার আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. তাজুল ইসলাম এবং কয়েকজন প্রসিকিউটরকে হত্যার হুমকি ও গালিগালাজ করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রোববার (১৬ নভেম্বর)
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা হবে আজ। পুরো জাতি ওই রায়ের অপেক্ষায় আছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (১৭ নভেম্বর)
পলাতক ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার ভালোভাবে হয়েছে, স্বচ্ছ হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের রায়ে শেখ হাসিনা খালাস পেলে আমি সবচেয়ে
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যে কোনও ধরনের আগ্রাসনের জবাব তাৎক্ষণিক এবং অত্যন্ত কঠোর হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির। সংবাদমাধ্যম ডেইলি জাংকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘ভারতের দাদাগিরি আর দেখতে চায় না দেশের জনগণ। সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সহযোগিতা চাই। অন্যথায় ভারত কখনো বাংলাদেশকে বন্ধু হিসেবে পাবে না।’ আজ শনিবার
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ সোমবার। গত বছরের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত তারা। এ মামলার অন্য দুই অভিযুক্ত
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক ব্যক্তিকে ধমক দেওয়ার ভাইরাল ভিডিও শেয়ার দেওয়ায় পদ হারিয়েছেন ফরিদপুর জেলা ছাত্রদল নেতা খাইরুল ইসলাম ওরফে রোমান (৩২)। রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয়
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।