January 16, 2026, 5:26 am
Title :
ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তদারকিতে কমিটি অপরিচিত নাম্বার থেকে মিঠুনকে হুমকি ট্রাম্পের সাথে দেখা করতে হোয়াইট হাউসে পৌঁছেছেন মাচাদো খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী আজ না ফেরার দেশে ‘মিস ক্যালকাটা’ খ্যাত অভিনেত্রী জয়শ্রী কবির পাসওয়ার্ড জটিলতা পোস্টাল ভোটারদের কল সেন্টারে যোগাযোগের আহ্বান ইসির ১১ দলের নির্বাচনী ঐক্যের ‘ঐতিহাসিক যাত্রা’ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ইয়াছিন, পেলেন সমন্বয়কের দায়িত্ব গ্রিনল্যান্ড দখলে অনড় যুক্তরাষ্ট্র, পাল্টা জবাবে সেনা পাঠাচ্ছে ইইউ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বরদাশত করবো না: জামায়াত আমির

গ্রিনল্যান্ডে সামরিক বাহিনী মোতায়েন শুরু করেছে ফ্রান্স

Reporter Name
  • Update Time : Friday, January 16, 2026
  • 23 Time View

গ্রিনল্যান্ডে সামরিক বাহিনী মোতায়েন শুরু করেছে ফ্রান্স। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই আর্কটিক অঞ্চলটি দখলের হুমকি জোরালো হওয়ায় উত্তেজনা বাড়ছে। এর মধ্যেই ফ্রান্স জানিয়েছে, স্থল, আকাশ ও নৌ সামরিক শক্তি দিয়ে গ্রিনল্যান্ডে তাদের উপস্থিতি আরও জোরদার করা হবে। এছাড়া বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় রাষ্ট্র সেখানে সৈন্য পাঠাচ্ছে বলেও জানা গেছে। যার মধ্যে জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস এবং যুক্তরাজ্যের সেনারাও থাকবেন।

সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, বৃহস্পতিবার সশস্ত্র বাহিনীর উদ্দেশে নববর্ষের ভাষণে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, ইতোমধ্যে ফরাসি সেনাবাহিনীর একটি দল গ্রিনল্যান্ডে পৌঁছেছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সেখানে স্থল, আকাশ ও নৌবাহিনীর অতিরিক্ত সক্ষমতা যুক্ত করা হবে। তিনি জানান, এই সেনা মোতায়েন ডেনমার্কের উদ্যোগে শুরু হওয়া একটি ইউরোপীয় সামরিক মহড়ার অংশ। মূলত গ্রিনল্যান্ড স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ড হলেও তাদের সার্বভৌমত্ব ডেনমার্কের হাতে।

প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ বলেন, গ্রিনল্যান্ডের প্রতি ইউরোপের একটি ‘বিশেষ দায়িত্ব’ রয়েছে। কারণ এই অঞ্চল ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ এবং এটি একটি ন্যাটো মিত্র রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত। তার ভাষায়, হুমকির মুখে ফ্রান্সকে প্রস্তুত থাকতে হবে, পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে এবং একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়ে তার ভূখণ্ড রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে।

আর্কটিক অঞ্চলে কৌশলগত অবস্থান, বিপুল খনিজ সম্পদ এবং সেখানে রাশিয়া ও চীনের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিনল্যান্ড নতুন করে আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড স্পষ্টভাবে দ্বীপটি বিক্রির কোনও প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ডেনিশ সার্বভৌমত্বের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এদিকে ডেনমার্ক, সুইডেন ও জার্মানি সামরিক মহড়া ও নজরদারি কার্যক্রমের মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে। এর মাধ্যমে ইউরোপজুড়ে নিরাপত্তা জোরদারের একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। মূলত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও গ্রিনল্যান্ডকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের হাতে’ দেয়ার আহ্বান জানানোর পরই এই সামরিক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। তার যুক্তি, রাশিয়া ও চীনের প্রভাব মোকাবিলায় এটি প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের।

ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোক্কে রাসমুসেন জানিয়েছেন, এ সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে বৈঠক হলেও ওয়াশিংটনের অবস্থানে কোনও পরিবর্তন আসেনি।

এদিকে সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুউকে পৌঁছেছে ১৫ সদস্যের একটি ফরাসি সামরিক দল। এছাড়া বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় রাষ্ট্র গোয়েন্দা অভিযানের অংশ হিসেবে সেখানে সৈন্য পাঠাচ্ছে বলেও জানা গেছে। যার মধ্যে জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস এবং যুক্তরাজ্যের সেনারাও থাকবেন।

ডেনমার্কের আধা-স্বায়ত্তশাসিত এই অঞ্চলের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অব্যাহত চাপের পরই সৈন্য মোতায়েন করা হলো। জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক অলিভিয়ার পোভরে ডি’আর্ভর এই অভিযানকে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংকেত হিসেবে দেখেছেন। তার মতে, ‘এটি প্রথম মহড়া, আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে দেখাবো যে ন্যাটো উপস্থিত আছে।’

বুধবার মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠকের জন্য ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ওয়াশিংটনে যাওয়ার পরই সামরিক বাহিনী স্থানান্তরের এই ঘটনা ঘটলো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com